মরচে ধরা ছুরি-ব্লেড ব্যবহার না করার নির্দেশ এফএসএসএআই-এর, হোটেল ও খাদ্য ব্যবসায়ীদের কড়া সতর্কতা
নয়াদিল্লি, ১৮ জুন (হি.স.): খাদ্য নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে দেশের সমস্ত হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং খাদ্য প্রস্তুত ও বিপণনের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করল খাদ্যের গুণমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি
মরচে ধরা ছুরি-ব্লেড ব্যবহার না করার নির্দেশ এফএসএসএআই-এর, হোটেল ও খাদ্য ব্যবসায়ীদের কড়া সতর্কতা


নয়াদিল্লি, ১৮ জুন (হি.স.): খাদ্য নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে দেশের সমস্ত হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং খাদ্য প্রস্তুত ও বিপণনের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করল

খাদ্যের গুণমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই)। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, খাদ্য প্রস্তুত, প্রক্রিয়াকরণ, কাটা কিংবা প্যাকেজিংয়ের সময় শুধুমাত্র ফুড-গ্রেড ও মরচে-প্রতিরোধী (রাস্ট-রেজিস্ট্যান্ট) ছুরি, ব্লেড এবং অন্যান্য কাটিং সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হবে।

এফএসএসএআই জানিয়েছে, বিভিন্ন খাদ্য প্রতিষ্ঠানে এখনও মরচেধরা, ভাঙা, চিড় ধরা বা ক্ষতিগ্রস্ত কাটিং সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে খাদ্যে ধাতব কণা, রাসায়নিক উপাদান বা ক্ষতিকর অণুজীব মিশে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

নতুন নির্দেশিকায় খাদ্য ব্যবসায়ীদের জন্য একাধিক বাধ্যতামূলক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শুধুমাত্র ফুড-গ্রেড ও মরচে-প্রতিরোধী কাটিং সরঞ্জাম ব্যবহার, ছুরি-ব্লেড ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির নিয়মিত পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ, এবং সেগুলির যথাযথ পরিষ্কার, স্যানিটাইজেশন ও জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

এফএসএসএআই স্পষ্ট জানিয়েছে, এই নির্দেশিকা অমান্য করলে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্ট, ২০০৬-এর আওতায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তা আধিকারিকদের পরিদর্শনের সময় বিষয়টি কঠোরভাবে নজরদারির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি খাদ্য প্যাকেজিংয়ে স্ট্যাপল পিন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারির পর খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এফএসএসএআই-এর এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande