সোনম ওয়াংচুককে সরানোর ঘটনায় কেন্দ্রকে নিশানা কেজরিওয়ালের
নয়াদিল্লি, ১৮ জুলাই (হি.স.): অনশনরত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর থেকে সরিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করার ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করলেন আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলন ভাঙতেই
সোনম ওয়াংচুককে সরানোর ঘটনায় কেন্দ্রকে নিশানা কেজরিওয়ালের


নয়াদিল্লি, ১৮ জুলাই (হি.স.): অনশনরত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর থেকে সরিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করার ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করলেন আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলন ভাঙতেই সরকারের সমস্ত মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হয়েছে, অথচ ছাত্রদের প্রকৃত দাবির প্রতি কোনও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।

শনিবার সামাজিক মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তাতে কেজরিওয়াল বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে তিনি জানতে পারেন, অত্যন্ত অনভিপ্রেত ও অমানবিকভাবে সোনম ওয়াংচুককে অনশন মঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর অনশন ভাঙারও চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, মহাত্মা গান্ধীও দীর্ঘ সময় অনশন করেছিলেন। কিন্তু ব্রিটিশ সরকারও তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ করেনি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে কেজরিওয়াল অভিযোগ করে প্রশ্ন তোলেন, এই তরুণ-তরুণীরা আসলে কী চাইছে? তারা তো দেশেরই সন্তান। তারা শুধু একটি স্বচ্ছ ও উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশ্নফাঁসের অবসান এবং নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা ব্যবস্থা দাবি করছে। কিন্তু সেই দাবিগুলি পূরণের বদলে সরকার আন্দোলন ব্যর্থ করা, তাকে বদনাম করা এবং আন্দোলনকারীদের অপমান করাতেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নফাঁস-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গত ২৮ জুন থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশন শুরু করেন সোনম ওয়াংচুক। অনশনের ২১তম দিনে শনিবার সকালে দিল্লি পুলিশ তাঁকে অনশন মঞ্চ থেকে সরিয়ে সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দীর্ঘ অনশনের কারণে তাঁর শরীরে মৃদু জলশূন্যতা দেখা দিলেও তিনি সম্পূর্ণ সচেতন এবং শারীরিকভাবে স্থিতিশীল রয়েছেন।

এদিকে, সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে ভর্তি করার পর তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো স্পষ্ট জানিয়েছেন, পরিবারের সম্মতি ছাড়া তাঁর স্বামীর উপর কোনও চিকিৎসা বা চিকিৎসাজনিত হস্তক্ষেপ করা যাবে না। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা ওয়াংচুকের চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের এবং পরিবারের অনুমতি ছাড়া কোনও ওষুধ, ইনজেকশন বা অন্য কোনও চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা উচিত নয়। ওয়াংচুক যেহেতু অনশন চালিয়ে যেতে চান, তাই তাঁর সম্মতি ছাড়া মুখে কোনও খাবার বা তরলও দেওয়া উচিত নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande