নেপালে টানা বৃষ্টিতে ফুলেফেঁপে উঠেছে কোসি, ব্যারাজ থেকে ছাড়া হল ২.০৯ লক্ষ কিউসেক জল
সুপৌল, ১৯ জুলাই (হি.স.): নেপালের জলাধার এলাকায় টানা ভারী বৃষ্টির জেরে কোসি নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়ছে। রবিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোসি ব্যারাজ থেকে মোট ২,০৯,৮৪০ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এর জেরে নদী তীরবর্তী এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। জলসম্পদ দ
নেপালে ভারী বৃষ্টিতে ফুলেফেঁপে কোসি, ব্যারাজ থেকে ছাড়া হল ২.০৯ লক্ষ কিউসেক জল


সুপৌল, ১৯ জুলাই (হি.স.): নেপালের জলাধার এলাকায় টানা ভারী বৃষ্টির জেরে কোসি নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়ছে। রবিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোসি ব্যারাজ থেকে মোট ২,০৯,৮৪০ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এর জেরে নদী তীরবর্তী এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। জলসম্পদ দফতর বাঁধ, স্পার ও অন্যান্য স্পর্শকাতর এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করেছে।

জলসম্পদ দফতরের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, কোসি ব্যারাজের ডাউনস্ট্রিমে ২,০৬,৪৪০ কিউসেক জলপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে। পূর্ব কোসি প্রধান খালে জলপ্রবাহ শূন্য থাকলেও পশ্চিম কোসি প্রধান খালে ৩,৪০০ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। ফলে ব্যারাজ থেকে মোট জলপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ২,০৯,৮৪০ কিউসেক, যা ক্রমাগত বাড়ছে।

দফতরের তথ্য অনুযায়ী, নেপালের বরাহক্ষেত্র (আপস্ট্রিম)-এ রবিবার বিকেল ৪টায় ১,৫৬,০০০ কিউসেক জলপ্রবাহ রেকর্ড হয়েছে এবং তা এখনও ঊর্ধ্বমুখী। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, নেপালের জলাধার এলাকায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক ঘণ্টায় কোসির জলস্তর আরও বাড়তে পারে।

সম্ভাব্য পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে জলসম্পদ দফতরের ইঞ্জিনিয়ারদের বাঁধ, স্পার ও অন্যান্য স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দল নিয়মিত পরিদর্শন চালাচ্ছে, যাতে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

প্রশাসন কোসি তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে নদীর ধারে না যাওয়ার এবং গুজবে কান না দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব দফতরকে সর্বক্ষণ সতর্ক থেকে যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, কোসি ব্যারাজের ৫৬টি গেটের মধ্যে প্রায় দু'ডজন গেট খুলে অতিরিক্ত জল নিষ্কাশন করা হচ্ছে, যাতে বাড়তে থাকা জলপ্রবাহ নিরাপদে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। পরিস্থিতির উপর জলসম্পদ দফতর লাগাতার নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে আরও জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande