
নয়াদিল্লি, ১৯ জুলাই (হি.স.): সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো অভিযোগ করেছেন, সফদরজং সরকারি হাসপাতালের উপর তাঁর আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। রবিবার সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’-এ এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদের জানিয়েছিল যে সোনম ওয়াংচুকের পটাশিয়ামের মাত্রা ২.৯-এ নেমে এসেছে, যা উদ্বেগজনক এবং প্রাণঘাতী হতে পারে। কিন্তু হাসপাতালের প্রকাশিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে সেই নির্দিষ্ট তথ্য উল্লেখ না করে শুধু ‘পটাশিয়ামের মাত্রা কমেছে’ বলা হয়েছে।
গীতাঞ্জলির দাবি, প্রায় ১০ ঘণ্টা অপেক্ষা ও বারবার অনুরোধের পর শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় রক্তের নমুনা বাইরে পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়। একটি স্বাধীন পরীক্ষাগারের রিপোর্টে পটাশিয়ামের মাত্রা ৩.৫ আসে, যা স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই রয়েছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সোনম ওয়াংচুককে ছাড়পত্র দিচ্ছে না এবং তাঁদের পছন্দের কোনও বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতিও দিচ্ছে না। তাঁর দাবি, হাসপাতালের ওই তলায় প্রায় ৩০ জন এবং গোটা হাসপাতালে ১০০-রও বেশি পুলিশ মোতায়েন থাকায় তাঁদের চলাফেরাও কার্যত নিয়ন্ত্রিত। তাঁর কথায়, “এটি চিকিৎসা নয়, বেআইনি আটক।”
গীতাঞ্জলি আংমো বলেন, “সোনমের যদি কোনও ক্ষতি হয়, তবে তার সম্পূর্ণ দায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সরকারকেই নিতে হবে।”
এই পরিস্থিতিতে সোনম ওয়াংচুককে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতি চেয়ে রবিবার দিল্লি হাইকোর্টে জরুরি শুনানির আবেদন জানিয়েছেন বলেও তিনি জানান। তাঁর বক্তব্য, “প্রিয়জন কোথায় চিকিৎসা পাবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কোনও পরিবারের আদালতের দ্বারস্থ হতে হওয়া উচিত নয়।”
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য