‘কল্পনার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ’, চড়াইদেওয়ে বলেছেন বন্যা পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব
- ‘আকস্মিক ক্লাউড বার্স্টের জেরে অসমের এমন বহু জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে’ চড়াইদেও (অসম), ২২ জুলাই (হি.স.) : উজান অসমে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে প্লাবিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির বাস্তব চিত্র খতিয়ে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী ড. হ
চড়াইদেওয়ের ত্রাণ শিবিরে মুখ্যমন্ত্ৰী হিমন্তবিশ্ব শৰ্মা (ছবি ১)


ত্রাণ শিবিরে মুখ্যমন্ত্ৰী হিমন্তবিশ্ব শৰ্মা (ছবি ২)


ত্রাণ শিবিরে মুখ্যমন্ত্ৰী হিমন্তবিশ্ব শৰ্মা (ছবি ৩)


ত্রাণ শিবিরে মুখ্যমন্ত্ৰী হিমন্তবিশ্ব শৰ্মা (ছবি ৪)


- ‘আকস্মিক ক্লাউড বার্স্টের জেরে অসমের এমন বহু জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে’

চড়াইদেও (অসম), ২২ জুলাই (হি.স.) : উজান অসমে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে প্লাবিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির বাস্তব চিত্র খতিয়ে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। চড়াইদেও জেলায় বন্যার জলে প্লাবিত কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখার পাশাপাশি ত্রাণ শিবিরে আশ্রিত বন্যাদুর্গত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। সঙ্গে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত বিষয়ে জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে মুখ্যমন্ত্রী দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের কাছে পৌঁছাতে উদ্ধারকারী দলগুলির সামনে কী ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে, তাও খতিয়ে দেখেছেন।

পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে উদ্বেগ প্ৰকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা বলেন, বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি সত্যিই ভয়াবহ, বলা যায় প্রলয়ঙ্কর। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে যা কল্পনা করা হয়েছিল, সে তুলনায় অনেক বেশি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এবারের বন্যা এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। বিপুল সংখ্যক মানুষ ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন, আবার বহু পরিবার এখনও বন্যার জলে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। ইতিমধ্যেই একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও বিভিন্ন এলাকা থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে।’

হিমন্তবিশ্ব শর্মা বলেন, ‘আকস্মিক ক্লাউড বার্স্টের জেরে অসমের এমন বহু জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে কখনও এ ধরনের প্রভাব দেখা যায়নি। আমাদের উদ্ধারকারী দল দিনরাত নিরলসভাবে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে, সর্বাত্মক চেষ্টা করছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে।’

ড. শৰ্মা জানান, ভারতীয় সেনাবাহিনী, ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স, স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স এবং রাজ্য সরকার যৌথভাবে বন্যাকবলিত জেলাগুলিতে উদ্ধার ও ত্রাণ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

ত্রাণ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক সহায়তার প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকারের ত্রাণ তহবিলের সম্পূর্ণ অর্থই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে আসে। তাঁর কথায়, ‘রাজ্য সরকারের ত্রাণ তহবিলের শতভাগ অর্থ কেন্দ্রীয় সরকার প্রদান করে। বন্যা মোকাবিলা, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত অর্থই বরাদ্দ করে কেন্দ্র।’

তিনি আরও জানান, আগাম নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করে থাকে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রয়োজনে অতিরিক্ত অর্থের জন্যও আবেদন করা হবে। ‘প্রয়োজন হলে আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছেও অতিরিক্ত তহবিলের আবেদন জানাব,’ বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande