নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে পড়ুয়াদের পাশে সলমন খান, বললেন—‘শিক্ষাই হোক দেশের পরবর্তী ট্রেন্ড’
মুম্বই, ২৩ জুলাই (হি.স.): নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ালেন বলিউড অভিনেতা সলমন খান। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হিংসাত্মক মোড় নেওয়ায় দুঃখপ্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁস অত্যন্ত গুরুতর ব
নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে পড়ুয়াদের পাশে সলমন খান বললেন—‘শিক্ষাই হোক দেশের পরবর্তী ট্রেন্ড’


মুম্বই, ২৩ জুলাই (হি.স.): নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ালেন বলিউড অভিনেতা সলমন খান। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হিংসাত্মক মোড় নেওয়ায় দুঃখপ্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁস অত্যন্ত গুরুতর বিষয় এবং দেশের পড়ুয়ারা উন্নত ও স্বচ্ছ শিক্ষা ব্যবস্থার দাবিতে যে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়।

বুধবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক দীর্ঘ বার্তায় সলমন খান বলেন, “আন্দোলনটি এত শান্তিপূর্ণ ছিল। এটি হিংসাত্মক মোড় নেওয়ায় সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। যে সমস্ত পড়ুয়া ও তাঁদের পরিবার এই ঘটনায় আহত হয়েছেন, তাঁদের জন্য আমার হৃদয় কাঁদছে।”

তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁস অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। দেশের পড়ুয়ারা একটি উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার দাবিতে একজোট হয়েছেন এবং তাঁদের বাবা-মায়েরাও তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন—এটি অত্যন্ত ইতিবাচক দিক।

সলমন বলেন, “পড়াশোনায় কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা এবং আরও শিক্ষিত ভারত নির্মাণের লক্ষ্যে পড়ুয়ারা যে দৃঢ়তা, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা দেখিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

আন্দোলনরত পড়ুয়াদের সাহসের প্রশংসা করে তিনি বলেন, শিক্ষা নিয়ে তাঁদের আগ্রহ ও দৃঢ় সংকল্প ভবিষ্যতে দেশকে গর্বিত করবে। তাঁর কথায়, “এই প্রজন্ম শিক্ষা ও নিজেদের ভবিষ্যতের প্রতি যে নিষ্ঠা দেখাচ্ছে, তারা একদিন ভারতকে গর্বিত করবে।”

তবে এই আন্দোলনকে রাজনৈতিক রং না দেওয়ারও আবেদন জানিয়েছেন সলমন খান। তিনি বলেন, “এই বিষয়টি পড়ুয়া এবং শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে। একে রাজনৈতিকভাবে দখল করা উচিত নয়। এই আন্দোলনের কৃতিত্ব দেশের পড়ুয়াদেরই প্রাপ্য।”

অভিনেতা আশা প্রকাশ করেন, সরকারও পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াবে এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে। তাঁর কথায়, এটি শেষ পর্যন্ত সবার জন্যই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

সলমন খান আরও বলেন, “শিক্ষাই হওয়া উচিত দেশের পরবর্তী ট্রেন্ড ও ফ্যাশন। প্রতি বছর শিক্ষাকে আরও জনপ্রিয় ও আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে, যাতে একদিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ভারতে পড়াশোনা করতে আসেন এবং ভারত বিশ্বের অন্যতম শিক্ষাকেন্দ্রে পরিণত হয়।”

শেষে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, যারা শিক্ষিত হতে চায়, ঈশ্বর তাঁদের আশীর্বাদ করুন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande