স্পিকারের সঙ্গে বাদানুবাদের পর অনুশোচনা প্রকাশ তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের, বিজেপি-র বিরুদ্ধে মুখ বন্ধ করার অভিযোগ
কলকাতা, ২৪ জুলাই (হি.স.) : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় টানা দুই দিন অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বোসের সঙ্গে বাদানুবাদের পর শুক্রবার সদনে অনুশোচনা প্রকাশ করলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এর আগে পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ তাঁর বিরুদ্ধে বিশেষাধিকার ভঙ্গের নোটি
কুণাল ঘোষ


কলকাতা, ২৪ জুলাই (হি.স.) : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় টানা দুই দিন অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বোসের সঙ্গে বাদানুবাদের পর শুক্রবার সদনে অনুশোচনা প্রকাশ করলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এর আগে পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ তাঁর বিরুদ্ধে বিশেষাধিকার ভঙ্গের নোটিশ দেন, যা গ্রহণ করেন বিধানসভার অধ্যক্ষ।

অধিবেশন চলাকালীন অধ্যক্ষ, শঙ্কর ঘোষের নোটিশটি পাঠ করে শোনান। নোটিশে বলা হয়েছে, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার আলোচনার সময় কুণাল ঘোষ অধ্যক্ষের মর্যাদা ক্ষুণ্ন ও তাঁকে অপমান করার চেষ্টা করেছেন, যা মর্যাদার পরিপন্থী।

এরপর অধ্যক্ষ কুণাল ঘোষকে নিজের বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেন। কুণাল জানান, কোনোভাবেই অধ্যক্ষকে অপমান করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি বলেন, বেলেঘাটা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের এলাকা ও জনস্বার্থের বিষয়গুলি বহুবার বিধানসভায় তুলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বারবার বক্তাদের তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

এর জবাবে পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ স্পষ্ট করেন যে, বিধানসভায় আলোচনার জন্য তৃণমূল পরিষদীয় দলের চিফ হুইপের পক্ষ থেকে যেসব সদস্যের নাম পাঠানো হয়, কেবল তাঁদেরই বলার অনুমতি দেওয়া হয়। তিনি জানান, বর্তমানে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কুণাল ঘোষের নাম পাঠানো হচ্ছে না, সেই কারণেই তিনি বলতে পারছেন না।

শঙ্কর ঘোষ আরও বলেন, এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এর সমাধান দলের নিজেদের মধ্যে করা উচিত, সদনের কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করে নয়।

নিজের জবাবে কুণাল ঘোষ পুনরায় জানান, অধ্যক্ষকে অপমান করার কোনো ইচ্ছা তাঁর ছিল না এবং তাঁর কোনো কথায় অধ্যক্ষ আঘাত পেয়ে থাকলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন।

তবে, পরবর্তীতে বিধানসভা চত্বরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন যে, ভারতীয় জনতা পার্টি তাঁকে সদনে কথা বলতে দিচ্ছে না। তাঁর দাবি, বলতে দেওয়া হলে তিনি বিজেপি-র কাজের ধরন, পুলিশের কথিত স্বৈরাচারিতা এবং সরকারের বিভিন্ন ভুল নীতির সত্যতা তুলে ধরতেন। তিনি জানান, এলাকার মানুষ তাঁকে তাঁদের কথা বলার জন্যই নির্বাচিত করেছেন এবং কোনো চাপের কাছে মাথা নত না করে তিনি জনগণের দাবি তুলে ধরে যাবেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande