মৎস্য শিকারের আড়ালে বাংলাদেশে অস্ত্র পাচার! পুলিশি জেরায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সুন্দরবন, ২৪ জুলাই (হি. স.) : বেশ কিছুদিন ধরেই উপকূল রক্ষী বাহিনীর কাছে খবর ছিল সুন্দরবনের জলপথ দিয়ে বাংলাদেশে অস্ত্রের চোরাচালান চলছে। সেই মোতাবেক আন্তর্জাতিক জল সীমান্তে নজরদারিও বাড়িয়েছিল উপকূল রক্ষী বাহিনী। আর নজরদারি বাড়াতেই হাতে নাতে এল সাফল
মৎস্য শিকারের আড়ালে বাংলাদেশে অস্ত্র পাচার! পুলিশি জেরায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য


সুন্দরবন, ২৪ জুলাই (হি. স.) : বেশ কিছুদিন ধরেই উপকূল রক্ষী বাহিনীর কাছে খবর ছিল সুন্দরবনের জলপথ দিয়ে বাংলাদেশে অস্ত্রের চোরাচালান চলছে। সেই মোতাবেক আন্তর্জাতিক জল সীমান্তে নজরদারিও বাড়িয়েছিল উপকূল রক্ষী বাহিনী। আর নজরদারি বাড়াতেই হাতে নাতে এল সাফল্য। গত বুধবার সন্ধ্যায় গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে সুন্দরবনের ভারত বাংলাদেশ জল সীমান্ত এলাকায় বন দফতরকে সঙ্গে নিয়ে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন একটি মৎস্যজীবীদের ট্রলার আটক করেন উপকূলরক্ষী বাহিনী। এফ ভি ঝুমা নামে ওই ট্রলার থেকেই উদ্ধার হয় পাঁচটি অত্যাধুনিক দূর পাল্লার আগ্নেয়াস্ত্র ও প্রচুর কার্তুজ। ওই ট্রলারে থাকা চারজন মৎস্যজীবীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। উপকূল রক্ষী বাহিনীর দাবি, মাছ ধরা পেশার আড়ালে এরা বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র পাচার করতো। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধৃত চারজনকে সুন্দরবন কোস্টাল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ধৃতদের আলিপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক চারদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

পুলিশের দাবি ধৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে আন্তর্জাতিক অস্ত্র পাচারের কাজে তারা জড়িত। অস্ত্রগুলি আন্তর্জাতিক জলসীমা দিয়ে বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টাই তারা করছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছে অভিযুক্তরা। অস্ত্রগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছে, কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল এবং এর পিছনে কোনও বড় চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে সন্দেশখালির বাসিন্দা গোলাম মোল্লা মূল পান্ডা। বাকি তিন অভিযুক্তের বাড়ি বাসন্তী ব্লকের ঝড়খালিতে। দীর্ঘদিন ধরেই তারা এই আগ্নেয়াস্ত্র চোরা চালানের কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এ বিষয়ে আরও তদন্ত করতে চাইছে পুলিশ।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande