সারের কালোবাজারি ও ট্যাগিং ইস্যু নিয়ে বিধানসভায় প্রশ্ন তুললেন বিজেপি বিধায়ক ডালিম চন্দ্র রায়
কলকাতা, ২৪ জুলাই (হি.স.): ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক ডালিম রায় শুক্রবার বিধানসভায় কৃষকদের কাছে চড়া দামে সার বিক্রি এবং সারের সঙ্গে বাধ্যতামূলক ট্যাগিং-এর বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, সার প্রস্তুতকারী সংস
ডালিম চন্দ্র রায়


কলকাতা, ২৪ জুলাই (হি.স.): ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক ডালিম রায় শুক্রবার বিধানসভায় কৃষকদের কাছে চড়া দামে সার বিক্রি এবং সারের সঙ্গে বাধ্যতামূলক ট্যাগিং-এর বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, সার প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করছে, যার ফলে কৃষকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চাপছে।

ডালিম রায়ের এই বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছেন জলপাইগুড়ি জেলা সার ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি সিদ্ধার্থ সরকার। তিনি স্বীকার করেছেন যে, কিছু সংস্থা ডিস্ট্রিবিউটর বা পরিবেশকদের কাছেই চড়া দামে সার বিক্রি করছে। এর ফলে ডিস্ট্রিবিউটরদেরও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বেশি দামে সার বিক্রি করতে হচ্ছে এবং চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে কৃষকদেরই এই অতিরিক্ত মূল্য মেটাতে হচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে, ২৬৬.৫০ টাকা মূল্যের এক বস্তা ইউরিয়ার সঙ্গে সংস্থাগুলি বাধ্যতামূলকভাবে ন্যানো ইউরিয়া জুড়ে দিয়ে বিক্রি করছে। এর ফলে কেবল এক বস্তা ইউরিয়া কিনতেই কৃষকদের প্রায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে। একইভাবে ১,৩৫০ টাকা মূল্যের ডিএপি -এর সঙ্গে লিকুইড ডিএপি ট্যাগ করে দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে কৃষকদের ওপর প্রায় ৬৫০ টাকার অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চাপছে।

বিধানসভায় ডালিম রায় বলেন যে, তিনি উত্তরবঙ্গের গ্রামীণ এলাকা থেকে উঠে এসেছেন, যেখানে সারের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। তিনি অভিযোগ করেন, সারের বস্তায় উল্লেখিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তা পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে, যা সমগ্র বাজারে সারের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে।

সিদ্ধার্থ সরকার জানান, বিধায়ক নিজেও পূর্বে সার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাই তিনি এই সমস্যার বিষয়ে সম্পূর্ণ অবগত। তিনি বলেন যে, কয়েকটি সংস্থা সারের উচ্চ চাহিদার সুযোগ নিয়ে অন্যান্য পণ্যের জোরপূর্বক ট্যাগিং করছে। এর ফলে ব্যবসায়ী এবং কৃষক—উভয় পক্ষই মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

তিনি দাবি করেন যে, কৃষকদের স্বার্থে সারের বিক্রি কেবল নির্ধারিত ও ন্যায্য মূল্যে নিশ্চিত করতে হবে এবং জোরপূর্বক সারের সঙ্গে অন্যান্য পণ্য ট্যাগিং করার এই ব্যবস্থা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande