জলাবদ্ধতা রুখতে আগরতলা পুর নিগমের তিন মেগা প্রকল্প
আগরতলা, ২৪ জুলাই (হি.স.) : বর্ষা এলেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সমস্যায় নাজেহাল হতে হয় বাসিন্দাদের। সেই সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিল আগরতলা পুর নিগম। শহরের মধ্যপাড়া, সৎসংঘ এলাকা এবং কৃষ্ণনগরের বাণীবিদ্য
তিন নতুন প্রকল্প


আগরতলা, ২৪ জুলাই (হি.স.) : বর্ষা এলেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সমস্যায় নাজেহাল হতে হয় বাসিন্দাদের। সেই সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিল আগরতলা পুর নিগম। শহরের মধ্যপাড়া, সৎসংঘ এলাকা এবং কৃষ্ণনগরের বাণীবিদ্যাপীঠ স্কুল সংলগ্ন এলাকায় তিনটি অত্যাধুনিক জল নিষ্কাশন পাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলির স্থান পরিদর্শন করেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পুর নিগমের কমিশনার সাজু ওয়াহিদ, আগরতলা স্মার্ট সিটি লিমিটেডের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক (সিইও), জল বোর্ডের আধিকারিক, পূর্ত দফতরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকরা।

পরিদর্শনকালে প্রতিটি স্থানে পাম্প বসানোর উপযুক্ত স্থান, পাইপলাইন কোন পথ দিয়ে যাবে, কোথায় জল সংগ্রহ হবে এবং কীভাবে দ্রুত জল নিষ্কাশন করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশও দেন মেয়র।

পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মেয়র দীপক মজুমদার জানান, বর্ষার সময় শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে মধ্যপাড়া, সৎসংঘ এবং বাণীবিদ্যাপীঠ স্কুল সংলগ্ন এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট জলে ডুবে যায়। নতুন এই তিনটি জল নিষ্কাশন পাম্প চালু হলে আগামী বর্ষা থেকেই ওই এলাকাগুলিতে জল জমে থাকার সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াত সহজ হবে এবং জলাবদ্ধতার কারণে সৃষ্ট নানা ভোগান্তি থেকেও মুক্তি মিলবে।

উল্লেখ্য, মধ্যপাড়া এলাকায় প্রতিবছর বর্ষাকালে দীর্ঘ সময় ধরে জল জমে থাকে। টিআরটিসি-র সামনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কও জলমগ্ন হয়ে পড়ে, যার ফলে যান চলাচল ব্যাহত হয়। একই পরিস্থিতি দেখা যায় রামনগর ৪ নম্বর রোডের বাণীবিদ্যাপীঠ স্কুল সংলগ্ন এলাকায়। স্কুলপড়ুয়া, অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হয়।

আগরতলা পুর নিগমের আশা, এই তিনটি মেগা জল নিষ্কাশন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপিত হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে শহরের অন্যান্য জলাবদ্ধ এলাকাতেও আধুনিক ড্রেনেজ ও পাম্পিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে পুর নিগম সূত্রে জানা গেছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande