বান্দোয়ান বিধানসভা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে একাধিক প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন - স্বাস্থ্যমন্ত্রী
কলকাতা, ২৪ জুলাই (হি.স.): রাজ্য সরকার পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান বিধানসভা এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো শক্তিশালী করতে পর্যায়ক্রমে কাজ করে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্
স্বাস্থ্যমন্ত্রী


কলকাতা, ২৪ জুলাই (হি.স.): রাজ্য সরকার পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান বিধানসভা এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো শক্তিশালী করতে পর্যায়ক্রমে কাজ করে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বিধানসভায় জানান এমনটাই জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ওই এলাকার তিনটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের ওপর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান যে, বান্দোয়ান বিধানসভা কেন্দ্রের বরাবাজার, বান্দোয়ান এবং বারী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, বরাবাজার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ৩০টি শয্যা বৃদ্ধির প্রস্তাব বর্তমানে স্বাস্থ্য দপ্তরে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি জানান, বরাবাজার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ৫৮.৫ কেভিএ ক্ষমতার জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যাকআপের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে লোকনির্মাণ বিভাগ ১৭ লক্ষ ৪০ হাজার ৪৩ টাকার একটি আনুমানিক খরচ নির্ধারণ করেছে। এর ওপর ভিত্তি করেই স্বাস্থ্য দপ্তর বিস্তারিত প্রস্তাব তৈরি করছে।

মন্ত্রী আরও তথ্য দেন যে, জৈব-চিকিৎসা বর্জ্যের বৈজ্ঞানিক উপায়ে নিষ্পত্তির জন্য একটি যৌথ সংগ্রহ কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রস্তাব তৈরি করে তা যাচাইয়ের জন্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান, বান্দোয়ান ও বারী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রেও বিদ্যুৎ ব্যাকআপ ব্যবস্থা এবং যৌথ সংগ্রহ কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়াও বান্দোয়ান বিধানসভা কেন্দ্রের সিদরি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং গুরুড় প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেরামত ও সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এই কাজের আনুমানিক খরচের প্রস্তাবগুলি বর্তমানে বিভাগীয় প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকারের মূল লক্ষ্য হলো গ্রামীণ এলাকার স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও সুদৃঢ় করা, যাতে সাধারণ মানুষ নিজ নিজ এলাকাতেই উন্নত ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্য সেবা পেতে পারেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande