রামমন্দিরের দান চুরির অভিযোগে মোদীর নীরবতা জনবিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা: কংগ্রেস
নয়াদিল্লি, ৩ জুলাই (হি.স.) : অযোধ্যার রাম জন্মভূমি মন্দিরে দান চুরির অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নীরবতার তীব্র সমালোচনা করেছে কংগ্রেস। দলের দাবি, রামমন্দির নির্মাণের কৃতিত্ব যখন প্রধানমন্ত্রী নিজেই নিয়েছিলেন, তখন দান চুরির অভিযোগের দায়ও
রামমন্দিরের দান চুরির অভিযোগে মোদীর নীরবতা জনবিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা: কংগ্রেস


নয়াদিল্লি, ৩ জুলাই (হি.স.) : অযোধ্যার রাম জন্মভূমি মন্দিরে দান চুরির অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নীরবতার তীব্র সমালোচনা করেছে কংগ্রেস। দলের দাবি, রামমন্দির নির্মাণের কৃতিত্ব যখন প্রধানমন্ত্রী নিজেই নিয়েছিলেন, তখন দান চুরির অভিযোগের দায়ও তাঁর এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। কংগ্রেসের অভিযোগ, এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা দেশের মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার সামিল।

শুক্রবার নয়াদিল্লিতে কংগ্রেস সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে দলের জাতীয় মুখপাত্র ড. রাগিনী নায়ক বলেন, রামমন্দিরে দেশের দরিদ্র শ্রমিক থেকে শুরু করে শিল্পপতি—সকলেই নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রণামী দিয়েছেন। এই অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রী কোনও ব্যক্তির সম্পত্তি নয়। তাই দান চুরির অভিযোগকে বিজেপি নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে চাপা দিতে পারে না। প্রধানমন্ত্রীকে অবিলম্বে দেশের মানুষের সামনে এসে এই অভিযোগের জবাব দিতে হবে।

শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দান গ্রহণের সময় দাতাদের দিয়ে একটি হলফনামায় স্বাক্ষর করানো হচ্ছে, যেখানে উল্লেখ রয়েছে যে দান গ্রহণের পর ট্রাস্ট সেই অর্থ বা সামগ্রী নিজেদের ইচ্ছামতো ব্যবহার করতে পারবে এবং এ বিষয়ে দাতারা কোনও প্রশ্ন তুলতে পারবেন না। তাঁর অভিযোগ, দান হিসেবে জমা পড়া সোনা-রুপোর বৈধতা যাচাই করা হচ্ছে না এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তার কোনও নির্দিষ্ট রসিদও দেওয়া হয় না।

ড. নায়ক বলেন, মর্যাদা পুরুষোত্তম ভগবান রামের নাম কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার প্রতীক। সেই পবিত্র বিশ্বাসকে ব্যবহার করে দুর্নীতি ও অনিয়ম করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। ভোট চুরি, আসন চুরির পর এবার রামমন্দিরের দান চুরির অভিযোগ দেশবাসীর মনে গভীর আঘাত করেছে। এই ঘটনায় জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

নিরাপত্তা ও তদন্তের প্রসঙ্গ তুলে তিনি দাবি করেন, মাত্র ৪০ দিনের মধ্যে মন্দির চত্বরে ৭০টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। জনচাপের মুখে বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গঠন করা হলেও এখনও পর্যন্ত তাদের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। তাঁর প্রশ্ন, সরকার শেষ পর্যন্ত কাদের আড়াল করতে চাইছে?

কংগ্রেসের দাবি, অবিলম্বে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট ভেঙে দিতে হবে এবং ট্রাস্টের প্রশাসনিক ও আর্থিক লেনদেনের তদন্ত সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande