ক্ষুদিরাম বসুর আত্ম বলিদান দিবসে কামারপুকুরে রক্তদান শিবি
আরামবাগ , ১১ আগস্ট (হি.স.): বীর বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস উপলক্ষে কামারপুকুরে আয়োজিত হল মহতী রক্তদান শিবির। ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট দেশের স্বাধীনতার জন্য হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে আত্মবলিদান দিয়েছিলেন তরুণ বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু। তাঁর আত্মত্য
খুদিরাম বসুর আত্ম বলিদান দিবসে রক্তদান শিবির কামার পুকুরে


আরামবাগ , ১১ আগস্ট (হি.স.): বীর বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস উপলক্ষে কামারপুকুরে আয়োজিত হল মহতী রক্তদান শিবির। ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট দেশের স্বাধীনতার জন্য হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে আত্মবলিদান দিয়েছিলেন তরুণ বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু। তাঁর আত্মত্যাগকে স্মরণ করেই কামারপুকুর ক্ষুদিরাম কিশোর সংঘের উদ্যোগে দ্বিতীয় বর্ষের এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়।

বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে রক্তের সংকট দেখা দেওয়ায় সমস্যায় পড়ছেন বহু রোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। জরুরি প্রয়োজনে রক্তের জন্য হাহাকার করতে হচ্ছে রোগীর পরিজনদের। এমন পরিস্থিতিতে রক্তের জোগান বাড়াতে এই উদ্যোগকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।

মঙ্গলবার কামারপুকুর ক্ষুদিরাম কিশোর সংঘের হাউস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই শিবিরে মোট ১০০ জন রক্তদাতা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোঘাট বিধানসভার বিধায়ক প্রশান্ত দিগার। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে বীর বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেন তিনি।

এদিন রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে তাঁদের হাতে ভারতের তেরঙা জাতীয় পতাকা তুলে দেন বিধায়ক। পাশাপাশি বিশ্ব উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে রক্তদাতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় গাছের চারা। রক্তদানের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার বার্তাও দেওয়া হয় এই কর্মসূচির মাধ্যমে।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে কামারপুকুর ক্ষুদিরাম কিশোর সংঘের হাউস প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন বিধায়ক প্রশান্ত দিগার। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, ক্ষুদিরাম বসুর আত্মত্যাগের আদর্শকে সামনে রেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

একদিকে যেমন মুমূর্ষু রোগীর প্রাণ বাঁচাতে রক্তদান, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশ রক্ষার বার্তা—দুই উদ্যোগের মাধ্যমেই সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার নজির তৈরি করল কামারপুকুর ক্ষুদিরাম কিশোর সংঘ।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande