“পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস এখন সাইনবোর্ডসর্বস্ব দলে পরিণত হয়েছে”, দাবি বিজেপি-র
কলকাতা, ১১ আগস্ট (হি.স.): “পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস এখন সাইনবোর্ডসর্বস্ব দলে পরিণত হয়েছে। কংগ্রেসের তথাকথিত আন্দোলনে প্রদেশ কংগ্রেসের সাইনবোর্ডে যতগুলি অক্ষর রয়েছে, অনেক সময় তার চেয়েও কম লোক দেখা যায়। অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজেও পশ্চিমবঙ্গে কংগ্
“পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস এখন সাইনবোর্ডসর্বস্ব দলে পরিণত হয়েছে”, দাবি বিজেপি-র


কলকাতা, ১১ আগস্ট (হি.স.): “পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস এখন সাইনবোর্ডসর্বস্ব দলে পরিণত হয়েছে। কংগ্রেসের তথাকথিত আন্দোলনে প্রদেশ কংগ্রেসের সাইনবোর্ডে যতগুলি অক্ষর রয়েছে, অনেক সময় তার চেয়েও কম লোক দেখা যায়। অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজেও পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের জনভিত্তি খুঁজে পাওয়া কঠিন।”

পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে মঙ্গলবার এই মন্তব্য করেন বিজেপি-র পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার। এই সঙ্গে তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী বারবার বলেন, জবাব দিতে হবে, উত্তর দিতে হবে। আমরা বলছি—পালিয়ে যাবেন না রাহুল গান্ধী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে আসবেন, উত্তর দেবেন। সংসদে বসে সেই উত্তর শুনুন। সংসদ অচল করে পালিয়ে যাওয়ার রাজনীতি বন্ধ করুন।”

কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে দেবজিত সরকার বলেন, “কংগ্রেস আজ মানুষের আস্থা হারিয়েছে। দেশজুড়ে কংগ্রেসের প্রাসঙ্গিকতা ক্রমশ কমেছে। একসময়ের সর্বভারতীয় দল আজ একাধিক টুকরোয় বিভক্ত। ‘ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে’ স্লোগানকে যারা রাজনৈতিকভাবে প্রশ্রয় দিয়েছে, তারা আজ নিজেরাই রাজনৈতিকভাবে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে।”

তিনি বলেন, “ভারতকে বিভক্ত করার চিন্তাধারার বিরুদ্ধে দেশের মানুষ বারবার রায় দিয়েছে। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলসহ কংগ্রেসের বহু নেতা দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য কাজ করেছেন। কিন্তু আজকের গান্ধী পরিবারের সামন্ততান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি কংগ্রেসকে সম্পূর্ণভাবে জনবিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে।”

রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনার দাবি জানিয়ে দেবজিত সরকার বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে আমরা রাহুল গান্ধীর কাছে অবিলম্বে ক্ষমাপ্রার্থনার দাবি জানাচ্ছি। জনগণের ট্যাক্সের পয়সায় সংসদ চলে। সেই সংসদকে রাজনৈতিক নাটকের মঞ্চে পরিণত করার অধিকার কারও নেই। দেশের মানুষ এই ছেলেমানুষি আর মেনে নেবে না।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande