বাদল অধিবেশনের আগে সাজছে হিমাচল বিধানসভা, আলোয় ঝলমল করবে ঐতিহাসিক ভবন
শিমলা, ১৮ আগস্ট (হি.স.): আগামী ২১ আগস্ট থেকে শুরু হতে চলা হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার বাদল অধিবেশনের আগে ঐতিহাসিক বিধানসভা ভবনকে নতুন সাজে সাজানোর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। অধিবেশন চলাকালীন বিধানসভা চত্বর রঙিন আলোয় সেজে উঠবে। পাহাড়ের রানি শিমলার ঐতিহাসিক
বাদল অধিবেশনের আগে সাজছে হিমাচল বিধানসভা, আলোয় ঝলমল করবে ঐতিহাসিক ভবন


শিমলা, ১৮ আগস্ট (হি.স.): আগামী ২১ আগস্ট থেকে শুরু হতে চলা হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার বাদল অধিবেশনের আগে ঐতিহাসিক বিধানসভা ভবনকে নতুন সাজে সাজানোর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। অধিবেশন চলাকালীন বিধানসভা চত্বর রঙিন আলোয় সেজে উঠবে। পাহাড়ের রানি শিমলার ঐতিহাসিক এই ভবন তখন বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

হিমাচল বিধানসভার বাদল অধিবেশন চলবে ২১ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মোট ১০টি অধিবেশন হওয়ার কথা রয়েছে। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে শাসক কংগ্রেস ও বিরোধী বিজেপির মধ্যে উত্তপ্ত বিতর্কের সম্ভাবনাও রয়েছে।

বিধানসভার অধ্যক্ষ কুলদীপ পাঠানিয়া মঙ্গলবার জানান, বিধানসভা ভবনের সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে। অধিবেশনের সময় গোটা চত্বর রঙিন আলোয় সজ্জিত থাকবে। ঐতিহাসিক পরিচয় বজায় রেখেই ভবনটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে।

তিনি জানান, বিধানসভা চত্বরের কাউন্সিল চেম্বার রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য। ভবনটি সংরক্ষণ করা সকলের দায়িত্ব। ব্রিটিশ শাসনকালে ১৯২০ সালে ভবনটির নির্মাণ শুরু হয় এবং ১৯২৫ সালে তা সম্পূর্ণ হয়। এই ভবনেই প্রথম কেন্দ্রীয় অ্যাসেম্বলির অধিবেশন হয়েছিল। সেই অ্যাসেম্বলির প্রথম নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন ভিত্তলভাই পটেল।

বর্তমানে বিধানসভা চত্বরে কাউন্সিল চেম্বার, ভিত্তলভাই ভবন, প্রশাসনিক ভবন এবং ড. যশবন্ত সিংহ পরমার গ্রন্থাগার ভবন—এই চারটি প্রধান ভবন রয়েছে। এগুলির সংরক্ষণ ও সৌন্দর্যায়নের কাজও শেষ পর্যায়ে।

অধ্যক্ষ জানান, অধিবেশন শুরুর একদিন আগেই সমস্ত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়েও জেলা প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক হয়েছে। বিধায়ক, আধিকারিক, দর্শনার্থী এবং অধিবেশন দেখতে আসা স্কুল পড়ুয়াদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জরুরি পরিস্থিতির জন্য বিধানসভা চত্বরে অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক ও প্যারামেডিক্যাল কর্মীও মোতায়েন থাকবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande