
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ২১ সেপ্টেম্বর (হি স)। বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে উত্তাল পরিস্থিতি ভাঙড় কলেজে। অভিযোগ, কলেজের পাঁচিল টপকে ভিতরে ঢুকে লাঠি চালায় পুলিশ। ওই নিয়ে থানা ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন পড়ুয়ারা।
কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতির তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বিজেপির বেশ কয়েক জন নেতা-নেত্রী। ভাঙড় মহাবিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সভাপতি করা হয়েছে সায়ন্তন বসুকে। কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি হিসাবে সোমবারই প্রথম কলেজে যান তিনি। প্রথম দিনেই বাধার মুখে পড়েন।
দুপুরে তাঁর গাড়ি কলেজের গেটে পৌঁছোতেই শুরু হয় উত্তেজনা।
বাম ছাত্র সংগঠনের পড়ুয়াদের সঙ্গে আইএসএফ সমর্থকেরা সেখানে হাজির হন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করে এবিভিপি। কিছুক্ষণের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলেজচত্বর।
এসএফআই এবং এবিভিপি-র মধ্যে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। কয়েকজনকে আটক করা হয়।
পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ, এবিভিপি-র বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া ছাত্রদের বেছে বেছে মারধর করে আটক করা হয়েছে। তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার পর কলেজের গেট খুলে পুলিশের নিরাপত্তায় সায়ন্তনবাবু কলেজের ভিতরে ঢুকে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন।
তবে লাঠিচালনার অভিযোগ নিয়ে পুলিশের বক্তব্য মেলেনি। ঠিক কত জনকে আটক করা হয়েছে, তা-ও এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
সন্ধ্যায় ভাঙড় থানার সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন এসএফআই এবং আইএসএফ সমর্থক তথা পড়ুয়ারা। ভাঙড় কলেজে ঢুকে তাঁদের উপর কেন লাঠি চালানো হল, সেই প্রশ্ন তুলে বিক্ষোভ-অবস্থান করেন।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত