গবাদি পশু নিয়ে বিবাদ, ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে বেধড়ক মারধর
সোনামুড়া (ত্রিপুরা), ২১ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : গবাদি পশু সংক্রান্ত সামান্য বিবাদকে কেন্দ্র করে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জনৈক মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিপাহীজলা জেলার সোনামুড়া শুভাপুর গ্রাম পঞ্চায়
আক্রান্ত বৃদ্ধা থানায়


সোনামুড়া (ত্রিপুরা), ২১ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : গবাদি পশু সংক্রান্ত সামান্য বিবাদকে কেন্দ্র করে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জনৈক মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিপাহীজলা জেলার সোনামুড়া শুভাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মিলক্কিবাড়ি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আক্রান্ত বৃদ্ধার নাম তাহেরা বেগম (৬০)। অভিযুক্ত হিসেবে স্থানীয় বাসিন্দা ফেরদৌসী বেগমের নাম উঠে এসেছে। ঘটনার পর সোনামুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তাহেরা বেগম।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গবাদি পশু সংক্রান্ত একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে তাহেরা বেগম ও ফেরদৌসী বেগমের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একসময় সেই বাকবিতণ্ডা চরম আকার ধারণ করে বলে অভিযোগ। এরপর ফেরদৌসী বেগম একটি লাঠি নিয়ে আচমকাই তাহেরা বেগমের ওপর চড়াও হন। অভিযোগ, ওই লাঠি দিয়ে তাঁর মাথা, পিঠ ও পায়ে পরপর আঘাত করা হয়। আচমকা এই হামলায় গুরুতরভাবে আহত হন তাহেরা বেগম।

ঘটনার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা হলেও আক্রান্ত বৃদ্ধা উপযুক্ত সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচারের আশায় সোনামুড়া থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাহেরা বেগম। তিনি জানান, তিনি স্বামীহারা এবং একাকী জীবনযাপন করছেন। এরই মধ্যে সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর একমাত্র নাতির মৃত্যু হয়েছে। নাতির মৃত্যুর শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি তিনি। এই মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যেই শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় তিনি আরও ভেঙে পড়েছেন বলে জানান।

তাহেরা বেগমের অভিযোগ, সামান্য একটি গবাদি পশু সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে তাঁর ওপর এভাবে হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাহেরা বেগমের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande