তিস হাজারি আদালতের আইনজীবীরা বৃহস্পতিবার ধর্মঘটে
নয়াদিল্লি, ২৪ সেপ্টেম্বর (হি.স.): মোটর ভেহিকেল রুলসের ১৬৭ নম্বর নিয়মে সংশোধনকে কেন্দ্র করে দিল্লির নিম্ন আদালতগুলির বার অ্যাসোসিয়েশনগুলির মধ্যে মতভেদ প্রকাশ্যে এসেছে। তিস হাজারি আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশন ছাড়া বাকি সব বার অ্যাসোসিয়েশন বৃহস্পতিবারের প
তিস হাজারি আদালতের আইনজীবীরা বৃহস্পতিবার ধর্মঘটে


নয়াদিল্লি, ২৪ সেপ্টেম্বর (হি.স.): মোটর ভেহিকেল রুলসের ১৬৭ নম্বর নিয়মে সংশোধনকে কেন্দ্র করে দিল্লির নিম্ন আদালতগুলির বার অ্যাসোসিয়েশনগুলির মধ্যে মতভেদ প্রকাশ্যে এসেছে। তিস হাজারি আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশন ছাড়া বাকি সব বার অ্যাসোসিয়েশন বৃহস্পতিবারের প্রস্তাবিত ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তিস হাজারি আদালতে বৃহস্পতিবার আইনজীবীরা ধর্মঘটে রয়েছেন।

পাতিয়ালা হাউস আদালত ও সাকেত আদালত বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ধর্মঘট প্রত্যাহারের যে ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, ‘কো-অর্ডিনেশন কমিটি অফ অল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনস অফ দিল্লি’-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং পরিবহণমন্ত্রী পঙ্কজ সিংয়ের বৈঠকের পর আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

কো-অর্ডিনেশন কমিটির মতে, মোটর ভেহিকেল রুলসের সংশোধন কার্যকর করার বিষয়টি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, তিস হাজারি আদালত বার অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, তারা কো-অর্ডিনেশন কমিটির সিদ্ধান্তে সম্মত নয় এবং তাদের প্রস্তাবিত ধর্মঘট চালিয়ে যাবে। তিস হাজারি আদালত বার অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য, মোটর ভেহিকেল রুলসের ১৬৭ নম্বর নিয়মে করা সংশোধন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।

এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর দিল্লির নিম্ন আদালতগুলিতে আইনজীবীরা ধর্মঘট করেছিলেন। দিল্লি সরকার ট্রাফিক চালানের শুনানির জন্য এসডিএম, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবং দফতরের আধিকারিকদের নিয়োগ করেছে। এর আগে ট্রাফিক চালানের শুনানি আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসেই হত।

নতুন সংশোধন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে চালান জারি হলে তাঁকে হয় চালানের টাকা জমা দিতে হবে, অথবা চালান জারির ৪৫ দিনের মধ্যে দিল্লি সরকারের নির্ধারিত আধিকারিকের কাছে তার বিরোধিতা করতে হবে। সংশোধিত নিয়মে বলা হয়েছে, ৪৫ দিনের মধ্যে কেউ চালানের বিরোধিতা না করলে ধরে নেওয়া হবে যে তিনি চালানটি মেনে নিয়েছেন।

দিল্লি সরকারের নির্ধারিত আধিকারিক চালানের বিরুদ্ধে করা আপত্তি খারিজ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে তাঁকে চালানের মোট অর্থের অর্ধেক দিল্লি সরকারের কাছে জমা দিতে হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande