
নয়াদিল্লি, ১১ জানুয়ারি (হি.স.): দেশকে বিভক্ত করে এমন শক্তিকে পরাস্ত করতে হবে, সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব অনুষ্ঠান থেকে এই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর যখন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল সোমনাথ মন্দিরের সংস্কারের অঙ্গীকার করেছিলেন, তখন তাঁকে তা করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। ১৯৫১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের সোমনাথ সফর নিয়েও আপত্তি তোলা হয়েছিল। দুর্ভাগ্যবশত, এখনওও সেই শক্তিগুলো সক্রিয় রয়েছে, যারা সোমনাথ মন্দিরের পুনর্নির্মাণের বিরোধিতা করেছিল। তরবারির বদলে এখন ভারতের বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাদের তাদের সম্পর্কে আরও সচেতন হতে হবে। আমাদের নিজেদের শক্তিশালী করতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের বিভক্ত করার চেষ্টাকারী প্রতিটি শক্তিকে পরাজিত করতে হবে। গত ১০০০ বছরের এই যাত্রা আমাদের আগামী ১০০০ বছরের জন্য প্রস্তুত হতে অনুপ্রাণিত করবে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র রবিবার সকালে গির সোমনাথে সোমনাথ স্বাভিমান পর্বের অংশ হিসেবে আয়োজিত একটি প্রতীকী শোভাযাত্রা, 'শৌর্য যাত্রা'-য় অংশ নেন। মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল এবং উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংভিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী সোমনাথ মন্দিরে পূজার্চনাও করেন।
পরে এক জনসভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২৬ সালটি সেই সময়ের সঙ্গেও মিলে যায় যখন সসম্ভারর পর ১৯৫১ সালের ১১ মে বর্তমান সোমনাথ মন্দিরটি ভক্তদের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছিল, যার পঁচাত্তর বছর পূর্ণ হবে। এই দু'টি মাইলফলক একত্রে সোমনাথ স্বাভিমান পর্বের ভিত্তি তৈরি করেছে। এই আয়োজনটি ধ্বংসের স্মৃতিচারণ হিসেবে নয়, বরং সহনশীলতা, বিশ্বাস এবং সভ্যতার আত্মসম্মানের ১০০০ বছরের দীর্ঘ যাত্রার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সোমনাথ বারবার আক্রমণকারীদের নিশানা হয়েছে এবং একইভাবে ভারতীয় সভ্যতা ও অস্তিত্বও, কিন্তু সোমনাথও ধ্বংস হয়নি, ভারতও নয়।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ