ট্রাম্পের মন্তব্যের পর উত্তাল ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড, ব্যাপক বিক্ষোভ
কোপেনহেগেন, ১৮ জানুয়ারি (হি.স.) : গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যের পর শুক্রবার রাত থেকেই ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডে বিক্ষোভ শুরু হয়। শনিবার সেই বিক্ষোভ ব্যাপক আকার নেয়। ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগে
ট্রাম্পের মন্তব্যের পর শুক্রবার থেকে উত্তাল ডেনমার্ক ও গ্রীনল্যান্ড, শনিবার ব্যাপক বিক্ষোভ


কোপেনহেগেন, ১৮ জানুয়ারি (হি.স.) : গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যের পর শুক্রবার রাত থেকেই ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডে বিক্ষোভ শুরু হয়। শনিবার সেই বিক্ষোভ ব্যাপক আকার নেয়। ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন ও গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুউকে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নামেন।

শনিবার নুউকে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ মিছিলে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স ফ্রেডরিক নীলসেন সরাসরি অংশ নেন।

প্রবল তুষারপাত ও হিমাঙ্কের নীচে তাপমাত্রার মধ্যেও বিক্ষোভকারীরা ‘গ্রিনল্যান্ড বিক্রি নয়’ স্লোগানে রাজপথ মুখর করে তোলেন। একই দিনে কোপেনহেগেনে মার্কিন দূতাবাসের সামনেও বড় জমায়েত হয়।

ট্রাম্পের মন্তব্যের জেরে তৈরি হওয়া কূটনৈতিক উত্তেজনা সামাল দিতে শনিবারই মার্কিন কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল কোপেনহেগেন পৌঁছয়। তারা ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতৃত্বকে জানায়, ট্রাম্পের বক্তব্য মার্কিন জনগণের মত নয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস অন্য দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে।

এই ঘটনার পর শনিবার বিকেল থেকেই ইউরোপীয় দেশগুলির পক্ষ থেকে একের পর এক প্রতিক্রিয়া আসতে থাকে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ডেনমার্কের পাশে থাকার ঘোষণা দেন। সুইডেন, ব্রিটেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতৃত্বও জানায়—এই বিষয়ে ইউরোপ ঐক্যবদ্ধ। রবিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের জরুরি বৈঠকে বিষয়টি আলোচনায় বসছে।

উল্লেখ্য, ট্রাম্প সম্প্রতি বলেন যে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড আমেরিকার জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে ডেনমার্ক সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, দ্বীপটি বিক্রির প্রশ্নই ওঠে না। গ্রিনল্যান্ডের বাসিন্দারাও সম্ভাব্য যে কোনও অধিগ্রহণের বিরোধিতা করেছেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande