নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সবচেয়ে বড় বেনিফিশিয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শহীদ দিবসে সোনাচূড়া থেকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দু অধিকারীর
নন্দীগ্রাম , ৭ জানুয়ারি ( হি. স.) : পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের শহীদ দিবসে সোনাচূড়া থেকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার সকালে সোনাচূড়ার শহীদ বেদীতে মাল্যদান করতে গিয়ে তিনি ব
শুভেন্দু অধিকারী


নন্দীগ্রাম , ৭ জানুয়ারি ( হি. স.) : পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের শহীদ দিবসে সোনাচূড়া থেকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার সকালে সোনাচূড়ার শহীদ বেদীতে মাল্যদান করতে গিয়ে তিনি বলেন, “নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সবচেয়ে বড় বেনিফিশিয়ারির নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের এই দিনেই ভাঙাভেড়া ব্রিজের কাছে তৎকালীন সিপিএমের ‘হার্মাদ’ বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান আন্দোলনকারী সেলিম, ভরত ও বিশ্বজিত। সেই শহীদের রক্তে ভেজা মাটিতে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস শহীদ স্মরণ নয়, নিজেদের রাজনৈতিক প্রচারেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। তাঁর দাবি, শহীদ স্মরণ মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি টাঙানো হয়েছে, যা শহীদদের প্রতি অসম্মান।শুভেন্দু আরও বলেন, “যারা আজ ছিন্নমূল, তাদের এটাই শেষ কর্মসূচি। আগামী বছর তারা আর এখানে প্রোগ্রাম করতে পারবে না।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আমাকে পদ্মার বলে, অথচ সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক তিনিই।”নিজেকে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নিঃস্বার্থ কর্মী দাবি করে শুভেন্দু বলেন, তিনি শহীদ মিনারে রাত কাটিয়েছেন, কিন্তু কোনও ব্যক্তিগত লাভ ঘরে তোলেননি। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন, নন্দীগ্রামকে তিনি নিজের আত্মীয়ের মতো মনে করেন এবং ভবিষ্যতে এখানেই থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande