সন্ত্রাসবাদকে কূটনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় : এস জয়শঙ্কর
নয়াদিল্লি, ২৫ অক্টোবর (হি.স.): বিশ্বশান্তির পথে সন্ত্রাসবাদকে অন্যতম মারাত্মক ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করে কড়া বার্তা দিলেন বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্কর। রাষ্ট্রসংঘ দিবস উপলক্ষে রবিবার নতুন দিল্লিতে ''চিন্ময় অমৃত মহোৎসব গ্লোবাল সম্মেলন''-এ ভাষণ দিতে গ
এস জয়শঙ্কর


নয়াদিল্লি, ২৫ অক্টোবর (হি.স.): বিশ্বশান্তির পথে সন্ত্রাসবাদকে অন্যতম মারাত্মক ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করে কড়া বার্তা দিলেন বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্কর। রাষ্ট্রসংঘ দিবস উপলক্ষে রবিবার নতুন দিল্লিতে 'চিন্ময় অমৃত মহোৎসব গ্লোবাল সম্মেলন'-এ ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রীয় কূটনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা একেবারেই বরদাস্ত করা যায় না এবং এর কোনও যৌক্তিকতা থাকতে পারে না।

অনুষ্ঠানে বিদেশমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদ শান্তির ক্ষেত্রে এক মারাত্মক বিপজ্জনক হুমকি। রাষ্ট্রীয় কার্যকলাপে বা কূটনীতিতে এর ব্যবহার সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। একে কখনোই যুক্তিযুক্ত বা সমর্থনযোগ্য প্রমাণ করা যায় না। তবুও এই সমস্যা টিকে রয়েছে কারণ বিশ্বের সমস্ত দেশ কিন্তু এখনও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থে 'জিরো টলারেন্স' বা শূন্য সহনশীলতার মনোভাব দেখাচ্ছে না। ইতিহাসের এত শিক্ষা সত্ত্বেও কিছু দেশ এখনও রাজনৈতিক স্বার্থ ও সমীকরণকে এর ঊর্ধ্বে স্থান দেয়। তাই সমগ্র বিশ্বকে এই সাধারণ বিপদের বিরুদ্ধে আরও তীব্র সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে এবং সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে একযোগে লড়াই করতে হবে।

ইউক্রেন ও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিশ্বে দুটি বড় যুদ্ধ চলছে—একটি ইউক্রেনে এবং অন্যটি পশ্চিম এশিয়া। এই সংঘাতগুলির কারণে বহু দূরবর্তী সমাজ, অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষ, যাঁদের এই পরিস্থিতিতে কোনও হাতই নেই, তাঁরা চরম মূল্য চোকাতে বাধ্য হচ্ছেন। আমরা কেবল অসহায় দর্শকের মতো হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারি না। ভারত এই বিষয়ে বিশ্বজনীন মনোভাবকেই তুলে ধরে জানাচ্ছে যে, একমাত্র আলোচনা ও কূটনীতিই এর চূড়ান্ত সমাধান হতে পারে। ভারত নিজে এই দিকে আন্তরিক প্রয়াস চালাচ্ছে এবং এই লক্ষ্য অর্জনে অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande