আলমবাজারে আরএসএস-এর উদ্যোগে উদযাপিত ‘কৌমুদী মহোৎসব’ ও কোজাগরী পূর্ণিমা
কলকাতা, ২৬ অক্টোবর (হি.স.): রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) অখণ্ডানন্দ নগর শাখার উদ্যোগে কলকাতার আলমবাজারের রামলোচন ঘাট প্রাঙ্গণে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো ‘কৌমুদী মহোৎসব’ ও কোজাগরী পূর্ণিমা। শারদ পূর্ণিমার এই পুণ্যতিথিতে দে
संघ का कार्यक्रम


কলকাতা, ২৬ অক্টোবর (হি.স.): রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) অখণ্ডানন্দ নগর শাখার উদ্যোগে কলকাতার আলমবাজারের রামলোচন ঘাট প্রাঙ্গণে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো ‘কৌমুদী মহোৎসব’ ও কোজাগরী পূর্ণিমা। শারদ পূর্ণিমার এই পুণ্যতিথিতে দেবী মহালক্ষ্মী ও চন্দ্রদেবের বিশেষ পূজার্চনা করা হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আয়োজিত হয় ঐতিহ্যবাহী কবাডি প্রতিযোগিতা এবং বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্ত মিলিয়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমাগম ঘটে। উৎসবের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা উত্তর ভাগকার্যবাহ বিকাশ সিংহ। তিনি তাঁর ভাষণে কোজাগরী পূর্ণিমার আধ্যাত্মিক তাৎপর্য এবং ‘অষ্টলক্ষ্মী’র আধ্যাত্মিক দিক তুলে ধরার পাশাপাশি ১৯৪৬ সালের নোয়াখালী গণহত্যার ঐতিহাসিক পটভূমির কথাও উল্লেখ করেন।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিকাশ সিংহ বলেন, শুধু বাহ্যিক নিয়মরীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আত্মিক ও সামাজিক চেতনাকে জাগ্রত করা অত্যন্ত জরুরি। সমাজকে ঐক্যবদ্ধ ও সুরক্ষিত রাখতে ‘ধৈর্য ও বীরলক্ষ্মী’র আদর্শে বলীয়ান হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকল ভক্ত ও অতিথিদের মধ্যে পায়েস ও মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। আনন্দঘন পরিবেশ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে উৎসবটি এলাকায় সামাজিক ঐক্যের বার্তা তুলে ধরে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সন্তোষ মধুপ




 

 rajesh pande