জটিলতা না কাটলেও পাটুলিতে ফুড স্টলের উদ্বোধন হল
কলকাতা, ২৯ অক্টোবর (হি. স. ) : কলকাতা পুরসভার ১২ নম্বর বরোর ওয়ার্ড নং ১০১-এ বৃহস্পতিবার ১৬টি নবনির্মিত ফুড স্টলের উদ্বোধন করলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি সামাজিক মাধ্যমে এ কথা জানিয়ে লিখেছেন, পাটুলি ঝিল পার্কে এই
জটিলতা না কাটলেও পাটুলিতে ফুড স্টলের উদ্বোধন হল


কলকাতা, ২৯ অক্টোবর (হি. স. ) : কলকাতা পুরসভার ১২ নম্বর বরোর

ওয়ার্ড নং ১০১-এ বৃহস্পতিবার ১৬টি নবনির্মিত ফুড স্টলের উদ্বোধন করলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

তিনি সামাজিক মাধ্যমে এ কথা জানিয়ে লিখেছেন,

পাটুলি ঝিল পার্কে এই উদ্বোধন করলাম। এই অনুষ্ঠানে আমার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আইএএস আধিকারিক আধিকারিক স্মিতা পাণ্ডে এবং যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করা এবং এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও প্রসারিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় উদ্যোগকে উৎসাহিত করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা এবং নাগরিকদের জন্য উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।'

উল্লেখ্য, খাদ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে ভালো কাজ করার জন্য বছর দুয়েক আগে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগ তিন কোটি টাকা পায়। সেই টাকায় পুরসভার বস্তি উন্নয়ন বিভাগ তিনটি ফুড স্ট্রিট গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। রাসেল স্ট্রিট, টালা ঝিল পার্ক ও টালা জিমখানা গ্রাউন্ডের মধ্যবর্তী রাস্তা এবং পাটুলি ঝিলপাড়। রাসেল স্ট্রিটের ফুড স্ট্রিট চালু হয় অনেক আগেই। সেখানে মোট ৩২টি দোকান তৈরি করে হকারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, টালা ও পাটুলির ফুড জোন নানা জটিলতায় উদ্বোধন করা যায়নি। লটারির মাধ্যমে কারা দোকান পাবে, কী পদ্ধতি—এসব নিয়ে জটিলতা ছিল। পালাবদলের পরেও সেই জটিলতা কাটেনি।

সুদৃশ্য স্টল, বাতিস্তম্ভ, খাওয়া-দাওয়া বা একটু জিরিয়ে নেওয়ার জন্য সাজানো গোছানো বসার জায়গা।

পাটুলি ঝিলপাড়ের একাংশে সরকারি অর্থে তৈরি হয়েছে শহরের দ্বিতীয় ফুড স্ট্রিট বা ফুড জোন।

সূত্রে খবর, যে দোকান বা স্টলগুলি উদ্বোধন করা হয়েছে, তা কারা চালাবেন, সেটাই এখনও ঠিক হয়নি। ফলে উদ্বোধন হলেও কবে থেকে স্টলগুলি চালু হবে তার নিশ্চিত উত্তর মেলেনি। কেন এই ব্যবস্থা না করে তড়িঘড়ি মন্ত্রী-বিধায়কদের দিয়ে ঘটনা করে দোকানগুলি উদ্বোধন করানো হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে পুরসভার অন্দরেই।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande