
নয়াদিল্লি, ২৯ অক্টোবর (হি.স.): আগামী ৩০ ও ৩১ অক্টোবর দু’দিনের সফরে নিজ রাজ্য গুজরাটে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সফরে তিনি বনাসকাণ্ঠায় ১৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন, পিএম-কিসান যোজনার অধীন ২৪-তম কিস্তির আর্থিক অনুদান হস্তান্তর করবেন এবং কেভাড়িয়ার একতা নগরে সর্দার বল্লভভাই পটেলের ১৫১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত 'জাতীয় একতা দিবস'-এর বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে প্রকাশিত সফরসূচি অনুযায়ী, ৩০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ বনাসকাণ্ঠায় ভ্রূণ স্থানান্তর প্রযুক্তি ও ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন গবেষণাগার এবং 'ভারত বোভাইন ব্রিডিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার' গবাদি পশু খামার পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ সেখানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বনাসকাণ্ঠার সার্বিক বিকাশে ১৪,০০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একগুচ্ছ পরিকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন। একই মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী ‘পিএম-কিসান’ প্রকল্পের ২৪তম কিস্তির অধীন ১৯,০০০ কোটি টাকা উপভোক্তা কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি হস্তান্তর করবেন এবং দুটি নতুন ট্রেনের যাত্রার সূচনা (ফ্ল্যাগ অফ) করে এক জনসভায় ভাষণ দেবেন।
বনাসকাণ্ঠার কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী রওনা দেবেন একতা নগর (কেবড়িয়া)-এর উদ্দেশে। সেখানে বিকেল ৫টায় তিনি ‘ভারত পর্ব ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। সন্ধ্যায় পৌনে আটটা নাগাদ তিনি অংশ নেবেন চোখধাঁধানো ‘একতা প্রকাশ পর্ব’-এ এবং রাত সোয়া আটটায় পবিত্র নর্মদা আরতিতে অংশ নেবেন।
সফরের দ্বিতীয় দিন, অর্থাৎ ৩১ অক্টোবর সকাল ৯টায় লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই পটেলের ১৫১-তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর সুউচ্চ ভাস্কর্য ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’-তে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সকাল সোয়া ৯টায় একতা নগরে ৪০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় রেন ফরেস্ট এবং বামন বৃক্ষ বাটিকা (বোনসাই উদ্যান) পরিদর্শন করবেন। বিকেলে সাড়ে পাঁচটায় সর্দার পটেলের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’ কুচকাওয়াজ ও সংহতি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ