কালীপূজার আগে ব্যস্ততা তুঙ্গে মোমবাতি প্রস্তুতকারকদের, এবার 'গেরুয়া মোমবাতি'র চাহিদা সর্বাধিক
জলপাইগুড়ি, ৩০ অক্টোবর (হি.স.): কালীপূজা ও দীপাবলির উৎসবের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। আলোর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাজারে মোমবাতির চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছর রঙ-বেরঙের মোমবাতির মধ্যে বিশেষ করে গেরুয়া রঙের মোমবাতির আকর্ষণ ও চাহিদা সবচেয়ে বেশ
मोमबत्ती निर्माता बना रहें  'भगवा मोमबत्ती'


জলপাইগুড়ি, ৩০ অক্টোবর (হি.স.): কালীপূজা ও দীপাবলির উৎসবের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। আলোর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাজারে মোমবাতির চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছর রঙ-বেরঙের মোমবাতির মধ্যে বিশেষ করে গেরুয়া রঙের মোমবাতির আকর্ষণ ও চাহিদা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। বাড়তি চাহিদার কথা মাথায় রেখে কারিগররা এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি পরিমাণে গেরুয়া মোমবাতি তৈরি করছেন।

জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের অন্তর্গত মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের পাথরঘাটা গ্রামের বাসিন্দা শীতল সরকার তাঁর বাড়িতে একটি ছোট কারখানায় বিগত ১০-১২ বছর ধরে মোমবাতি তৈরি করছেন। উৎসবের এই মরশুমে তাঁর কারখানায় কাজের গতি দ্বিগুণ হয়ে গেছে। চারজন স্থানীয় শ্রমিকের সাহায্যে ছোট, বড়, মাঝারি ও স্ট্যান্ড মোমবাতির পাশাপাশি বিভিন্ন রঙের মোমবাতি তৈরির কাজ দিনরাত চলছে।

কারিগর শীতল সরকার জানান, কালীপূজা উপলক্ষে মোমবাতির চাহিদা বাড়লেও কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিক্রি ও মুনাফায় প্রভাব পড়েছে। এছাড়াও, আজকাল চিনা ও ইলেকট্রনিক লাইটের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের কারণে মোমবাতি শিল্প কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তাঁর কারখানায় ১ টাকা থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন দামের মোমবাতি তৈরি হয়। এখানে তৈরি মোমবাতি শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, হলদিবাড়ি সহ আশেপাশের বহু বড় বাজার ও এলাকায় সরবরাহ করা হয়। মোমবাতি তৈরির প্রক্রিয়ায় প্রথমে কাঁচামাল এলপিজি/গ্যাসে গলিয়ে নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢালা হয় এবং ঠান্ডা হলে সলতে (সুতো) বসিয়ে তৈরি করা হয়। চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, এবার 'গেরুয়া মোমবাতি'র চাহিদা প্রত্যাশার চেয়েও বেশি দেখে মোমবাতি কারিগররা ভালো ব্যবসার আশা করছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সন্তোষ মধুপ




 

 rajesh pande