বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও অভিযান নারী ক্ষমতায়নের মাইলফলকে প্রমাণিত : রাষ্ট্রপতি
কুরুক্ষেত্র, ১ নভেম্বর (হি.স.): বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও অভিযানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, দেশব্যাপী ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ অভিযান নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। ২০১৫ সা
রাষ্ট্রপতি


কুরুক্ষেত্র, ১ নভেম্বর (হি.স.): বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও অভিযানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, দেশব্যাপী ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ অভিযান নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে হরিয়ানার পানিপথ থেকে এই অভিযানের সূচনা হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, জন্মের সময় শিশু লিঙ্গানুপাত— যা ২০১৪ সালে প্রতি এক হাজার ছেলে শিশুর বিপরীতে ৮৭১ জন মেয়ে শিশু ছিল— তা ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে বেড়ে প্রায় ৯১৫-এ দাঁড়িয়েছে। হরিয়ানা গঠনের ৬০-তম বার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার কুরুক্ষেত্রে আয়োজিত রাজ্যস্তরের ‘হরিয়ানা দিবস’ অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি মুর্মু এ কথা বলেন। তিনি জানান, গত এক দশকে হরিয়ানা নারী ক্ষমতায়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, হরিয়ানার মেয়েরা আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, মনু ভাকের, সুইটি বুরা এবং জেসমিন ল্যাম্বোরিয়া-সহ অসংখ্য কন্যা তাঁদের অসাধারণ সাফল্যের মাধ্যমে হরিয়ানা ও সমগ্র দেশকে গর্বিত করছেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, হরিয়ানার ক্রীড়াবিদরা ভারতের ক্রীড়া ইতিহাসে অনন্য অবদান রেখেছেন; তাঁরা অলিম্পিক গেমস, প্যারালিম্পিক গেমস, এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস এবং বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের মতো আসরে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি বলেন, কঠোর পরিশ্রমী কৃষক, সাহসী সৈনিক, কৃতী ক্রীড়াবিদ এবং ক্ষমতায়িত নারীরাই হলো হরিয়ানার প্রকৃত পরিচয়। তিনি বলেন, ১৯৬৬ সালের এই দিনে যখন হরিয়ানা গঠিত হয়, তখন এটিকে একটি অনগ্রসর অঞ্চল হিসেবে গণ্য করা হতো। তবে এখন হরিয়ানা দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় রাজ্য হিসেবে পরিগণিত হয়। সাইনি বলেন, এই প্রাপ্তি কোনও একক ব্যক্তির নয়, বরং কৃষক, শ্রমিক, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, ক্রীড়াবিদ এবং নারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। তিনি আরও বলেন, হরিয়ানার কন্যারা কৃষি ও খেলাধুলো থেকে শুরু করে সশস্ত্র বাহিনী এবং স্টার্ট-আপ— প্রতিটি ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য গৌরব বয়ে আনছেন। সাইনি উল্লেখ করেন, ভারতের জিডিপিতে হরিয়ানার অবদান প্রায় ৩.৬ শতাংশ। তিনি জানান, কৃষকদের কাছ থেকে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে (এমএসপি) ২৪টি ফসল সংগ্রহকারী দেশের প্রথম রাজ্য হলো হরিয়ানা। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, হরিয়ানার ক্রীড়াবিদরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশকে গর্বিত করেছেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande