বাংলাদেশে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ চতুর্থ দিনে, উত্তেজনা চরমে
ঢাকা, ৩ নভেম্বর (হি.স.): ন্যূনতম মাসিক মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বাংলাদেশে পোশাক শিল্প শ্রমিকদের আন্দোলন মঙ্গলবার চতুর্থ দিনেও অব্যাহত রয়েছে। রাজধানী ঢাকার মিরপুর-সহ সংলগ্ন শিল্পাঞ্চলগুলিতে সকালের দিকে কয়েকটি কারখানায় উৎপাদন আংশিক শুরু হলেও পরিস্থিতি দ্
বাংলাদেশে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ চতুর্থ দিনে, উত্তেজনা চরমে  ঢাকা, ৩ নভেম্বর (হি.স.): ন্যূনতম মাসিক মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বাংলাদেশে পোশাক শিল্প শ্রমিকদের আন্দোলন মঙ্গলবার চতুর্থ দিনেও অব্যাহত রয়েছে। রাজধানী ঢাকার মিরপুর-সহ সংলগ্ন শিল্পাঞ্চলগুলিতে সকালের দিকে কয়েকটি কারখানায় উৎপাদন আংশিক শুরু হলেও পরিস্থিতি দ্রুত ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কারখানার ভেতর থেকে শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে বেরিয়ে এসে রাজপথে নামতেই নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গোটা এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে মিরপুরের কয়েকটি পোশাক কারখানায় কর্মীরা কাজে যোগ দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই বকেয়া ও বেতন পর্যালোচনার দাবিতে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। হাজার হাজার শ্রমিক কারখানা থেকে ওয়াকআউট করে দলবদ্ধভাবে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এবং যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটান। শ্রমিকদের হঠাতে এবং যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে তৎপর হয় প্রশাসন। এলাকায় ব্যারিকেড গড়ে তুলে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। উল্লেখ্য, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে পোশাক শ্রমিকরা তাঁদের মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকায় উন্নীত করার দাবিতে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। মিরপুর ছাড়াও গাজীপুর ও সাভার-আশুলিয়া সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ পোশাক শিল্পাঞ্চলগুলিতেও বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি পর্যালোচনার বার্তা দেওয়া হলেও শ্রমিকদের এই লাগাতার বিক্ষোভ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি খাতে বড়সড় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।


ঢাকা, ৩ নভেম্বর (হি.স.): ন্যূনতম মাসিক মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বাংলাদেশে পোশাক শিল্প শ্রমিকদের আন্দোলন মঙ্গলবার চতুর্থ দিনেও অব্যাহত রয়েছে। রাজধানী ঢাকার মিরপুর-সহ সংলগ্ন শিল্পাঞ্চলগুলিতে সকালের দিকে কয়েকটি কারখানায় উৎপাদন আংশিক শুরু হলেও পরিস্থিতি দ্রুত ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কারখানার ভেতর থেকে শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে বেরিয়ে এসে রাজপথে নামতেই নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গোটা এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে মিরপুরের কয়েকটি পোশাক কারখানায় কর্মীরা কাজে যোগ দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই বকেয়া ও বেতন পর্যালোচনার দাবিতে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। হাজার হাজার শ্রমিক কারখানা থেকে ওয়াকআউট করে দলবদ্ধভাবে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এবং যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটান। শ্রমিকদের হঠাতে এবং যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে তৎপর হয় প্রশাসন। এলাকায় ব্যারিকেড গড়ে তুলে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

উল্লেখ্য, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে পোশাক শ্রমিকরা তাঁদের মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকায় উন্নীত করার দাবিতে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। মিরপুর ছাড়াও গাজীপুর ও সাভার-আশুলিয়া সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ পোশাক শিল্পাঞ্চলগুলিতেও বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি পর্যালোচনার বার্তা দেওয়া হলেও শ্রমিকদের এই লাগাতার বিক্ষোভ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি খাতে বড়সড় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande