
নয়াদিল্লি, ৭ নভেম্বর (হি.স.) : দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আবহাওয়ার মতিগতিতে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উত্তর ভারতে যেখানে ধীরে ধীরে ঠান্ডার আমেজ ও কুয়াশার প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে, ঠিক তেমনই অন্যদিকে দক্ষিণ ভারতের একাধিক রাজ্যে ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিন রাজধানী দিল্লি ও এনসিআর এলাকায় সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে।
ভারত আবহাওয়া বিভাগ -এর তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৮ থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই কয়েক দিনে এই অঞ্চলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে। এর পাশাপাশি, আগামী ১১ থেকে ১৩ নভেম্বর নাগাদ একটি নতুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে দিল্লি, হিমাচল ও পঞ্জাবের কিছু কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
অন্যদিকে, নিম্ন বায়ুমণ্ডলে তৈরি হওয়া একটি ঘূর্ণাবর্তের জেরে দক্ষিণ উপদ্বীপীয় ভারতে বৃষ্টির স্পেল অব্যাহত থাকবে। আগামী ৮ থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও করাইকাল এবং ৮ নভেম্বর কেরল ও মাহেতে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামী ১০ নভেম্বর থেকে আরও একটি নতুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় হওয়ার ফলে উত্তর-পশ্চিম হিমালয় অঞ্চলের আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে ১০ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিশেষ করে আগামী ১২ নভেম্বর কাশ্মীর উপত্যকার কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি অথবা তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে আগামী ৮ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যাপক বৃষ্টি এবং ৯ থেকে ১৩ নভেম্বর এর মধ্যে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়াও, উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে আগামী ১০ থেকে ১১ নভেম্বর নাগাদ অসম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরার কিছু অংশে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি