জওয়ানদের ত্যাগের জন্যই ঘরে ঘরে জ্বলছে দীপাবলির আলো : রাজনাথ সিং
গ্যাংটক, ৮ নভেম্বর (হি.স.): আলোর মহোৎসব দীপাবলিতে সিকিমে ভারত-চীন সীমান্তে সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। রবিবার সিকিমের ভারত-চীন সীমান্ত সংলগ্ন উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের সেরাথাং ওয়ার মেমোরিয়ালে ভারতীয় সেনাবা
রাজনাথ সিং


গ্যাংটক, ৮ নভেম্বর (হি.স.): আলোর মহোৎসব দীপাবলিতে সিকিমে ভারত-চীন সীমান্তে সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। রবিবার সিকিমের ভারত-চীন সীমান্ত সংলগ্ন উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের সেরাথাং ওয়ার মেমোরিয়ালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বীর জওয়ান ও আধিকারিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁদের সঙ্গে দীপাবলির আনন্দ ভাগ করে নেন তিনি। প্রতিকূল আবহাওয়ায় সীমান্ত প্রহরারত জওয়ানদের অদম্য সাহস ও আত্মত্যাগকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

সেনাকর্মীদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা দিয়ে রাজনাথ সিং বলেন, এখন আমরা প্রত্যেকে যে নিশ্চিন্তে নিজেদের ঘরে দীপাবলির প্রদীপ জ্বালাতে পারছি, তা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র আমাদের বীর সেনার চরম আত্মত্যাগের বিনিময়ে। দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব অটুট রাখতে তাঁরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমি দেশের সেই সমস্ত বীর শহিদদের পরিবার-পরিজনকেও দীপাবলির আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সশ্রদ্ধ অভিনন্দন জানাচ্ছি।

সেরাথাংয়ের হাড়কাঁপানো ঠান্ডার মধ্যেও জওয়ানদের মনোবল প্রত্যক্ষ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, উচ্চ পার্বত্য এই বরফশীতল সেরাথাংয়ে দাঁড়িয়ে আপনাদের কাছ থেকে যে আন্তরিক উষ্ণতা ও ইতিবাচক শক্তি আমি পাচ্ছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আপনাদের মুখের এই অটুট হাসি, উদ্দীপনা ও দেশপ্রেমের জ্বলন্ত মানসিকতাই আমার কাছে দীপাবলির সবচেয়ে উজ্জ্বল আলো।

সীমান্ত সুরক্ষায় সেনাদের ওপর আস্থা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, অতীতে আপনারা যেভাবে দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করেছেন, আগামী দিনেও ঠিক একই উৎসাহ ও আত্মোৎসর্গের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত পাহারা দেবেন। আমি ঈশ্বরের কাছে আপনাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা করছি। ঈশ্বর আপনাদের এবং আপনাদের পরিবারকে সুখ ও সমৃদ্ধিতে ভরিয়ে দিন। এদিন জওয়ানদের মিষ্টিমুখ করিয়ে উৎসবের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি সীমান্তে সামগ্রিক নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোগত প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande