ত্রিপুরা শিল্প ও বাণিজ্য মেলার সমাপ্তি, আত্মনির্ভর রাজ্য গড়ার বার্তা অর্থমন্ত্রীর
আগরতলা, ১২ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : ১৫ দিনব্যাপী ত্রিপুরা শিল্প ও বাণিজ্য মেলার সমাপ্তি হল বৃহস্পতিবার হাঁপানিয়াস্থিত আন্তর্জাতিক মেলা প্রাঙ্গণে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় বলেন, কোনও রাজ্যের
শিল্প ও বাণিজ্য মেলা সমাপ্তি


আগরতলা, ১২ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : ১৫ দিনব্যাপী ত্রিপুরা শিল্প ও বাণিজ্য মেলার সমাপ্তি হল বৃহস্পতিবার হাঁপানিয়াস্থিত আন্তর্জাতিক মেলা প্রাঙ্গণে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় বলেন, কোনও রাজ্যের অর্থনীতির মূল ভিত্তি শিল্প ও বাণিজ্য হলেও ত্রিপুরা এখন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা, কৃষি ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রেও দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২০৪৭ সালের মধ্যে আত্মনির্ভর ভারত গঠনের লক্ষ্যে রাজ্যও সেই পথেই অগ্রসর হচ্ছে। ২০১৮ সালের পর থেকে রাজ্যে বহিঃরাজ্যের শিল্পোদ্যোগীদের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছে। পর্যটন সার্কিট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আইটি পার্ক নির্মাণের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। সচিবালয় থেকে শুরু করে জেলা, মহকুমা, গ্রাম পঞ্চায়েত ও ভিলেজ কাউন্সিল স্তর পর্যন্ত ডিজিটাল পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা প্রবাসী ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ত্রিপুরায় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা বলেন, ক্ষুদ্র শিল্পকে আরও সুদৃঢ় করতে রাজ্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। একসময় উপেক্ষিত ক্ষুদ্র শিল্প বর্তমানে নানাভাবে উৎসাহ পাচ্ছে। সকলের সহযোগিতায় আত্মনির্ভর ভারত ও আত্মনির্ভর ত্রিপুরা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলে তিনি জানান।

যুব বিষয়ক ও ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, স্কিল ইন্ডিয়া ও মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচি এখন বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। রাজ্যে এমএসএমই উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে ৫০ হাজারের বেশি স্বসহায়ক গোষ্ঠী রয়েছে এবং গত কয়েক বছরে তাদের ১৫ কোটিরও বেশি টাকার ঋণ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৯১০ জন এমএসএমই রেজিস্ট্রেশন পেয়েছেন এবং নতুন ১৩ হাজার যুবক-যুবতীকে বিভিন্ন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত করে ৩৭০ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তপশিলি জাতি কল্যাণমন্ত্রী সুধাংশু দাস, বিধায়ক মিনারাণনী সরকার, টিএসআইসি-এর চেয়ারম্যান শম্ভুলাল চাকমা, টিআইডিসি-এর চেয়ারম্যান নবাদল বণিক, টিটিডিসি-এর চেয়ারম্যান সমীর রঞ্জন ঘোষ, শিল্প ও বাণিজ্য দফতরের সচিব কিরণ গিত্যে সহ অন্যান্যরা।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande