সাঁকরাইলে হাতির তাণ্ডব, ধান-সবজির ক্ষেত নষ্ট; ক্ষতিপূরণ ও স্থায়ী সমাধানের দাবি কৃষকদের
ঝাড়গ্রাম, ১০ মার্চ (হি.স.): ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকে হাতির তাণ্ডবে প্রতিদিনই বাড়ছে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি। বনদফতরের একাধিক চেষ্টা সত্ত্বেও হাতির দলকে এলাকা থেকে সরানো যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। ধান, আলু সহ বিভিন্ন সবজির ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় মাথায় হাত প
সাঁকরাইলে হাতির তাণ্ডব, ধান-সবজির ক্ষেত নষ্ট; ক্ষতিপূরণ ও স্থায়ী সমাধানের দাবি কৃষকদের


ঝাড়গ্রাম, ১০ মার্চ (হি.স.): ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকে হাতির তাণ্ডবে প্রতিদিনই বাড়ছে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি। বনদফতরের একাধিক চেষ্টা সত্ত্বেও হাতির দলকে এলাকা থেকে সরানো যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। ধান, আলু সহ বিভিন্ন সবজির ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় মাথায় হাত পড়েছে এলাকার কৃষকদের।

মঙ্গলবার স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩০-৩৫টি হাতির একটি দল রাতের অন্ধকারে সাঁকরাইল ব্লকের ঘোলাই এলাকায় ঢুকে বিঘার পর বিঘা ধান ও সবজির ক্ষেতে হানা দিচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে ব্লকের একাধিক গ্রামে হাতির দল তাণ্ডব চালাচ্ছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। রাতের বেলা মাঠে নেমে ধান, আলু ও বিভিন্ন সবজির ক্ষেত নষ্ট করে দিচ্ছে হাতির দল, ফলে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকরা।

কৃষকদের অভিযোগ, বছরের পর বছর পরিশ্রম করে ফলানো ফসল মুহূর্তের মধ্যে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি হাতির আক্রমণে যে পরিমাণ ক্ষতি হচ্ছে, তার তুলনায় বনদফতরের ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত নয় বলেও দাবি তাঁদের। বনদফতর সূত্রে জানা গেছে, হাতির দলকে এলাকা থেকে তাড়ানোর চেষ্টা করা হলেও তারা বারবার ঘুরে ফিরে একই এলাকায় ঢুকে পড়ছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে বনকর্মীরা লাগাতার নজরদারি চালাচ্ছেন এবং মাইকিং করে এলাকাবাসীদের সতর্ক করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, সোমবার রাতে একটি হাতি সাঁকরাইল ব্লক এলাকা থেকে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক পেরিয়ে মানিকপাড়া রেঞ্জের কুসুমঘাটি বিটের রাজাবাসা এলাকায় ঢুকে পড়ে। অভিযোগ, সারা রাত ধরে ওই হাতিটি ধান ও সবজির ক্ষেতে হানা দিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে।

এ পরিস্থিতিতে গ্রামবাসীরা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, হাতির দলকে দ্রুত অন্যত্র সরানোর ব্যবস্থা করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বনদফতরের তরফে জানানো হয়েছে, যাদের ফসলের ক্ষতি হয়েছে তারা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাবেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande