বাহিঃরাজ্যে রেফার কমাতে টেলিমেডিসিনে গুরুত্বারোপ মুখ্যমন্ত্রীর
আগরতলা, ১৪ মার্চ (হি.স.) : রাজ্যবাসীকে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে ত্রিপুরা সরকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। পাশাপাশি বাহিঃরাজ্যে রোগী রেফারের সংখ্যা কমাতে টেলিমেডিসিনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার
মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা


আগরতলা, ১৪ মার্চ (হি.স.) : রাজ্যবাসীকে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে ত্রিপুরা সরকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। পাশাপাশি বাহিঃরাজ্যে রোগী রেফারের সংখ্যা কমাতে টেলিমেডিসিনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার আগরতলাশ একটি হোটেলে অল ত্রিপুরা মেডিকেল সম্মেলনের উদ্বোধন করে এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন দেশের চিকিৎসকদের অন্যতম প্রাচীন সংগঠন এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক ও দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতেও চিকিৎসক সমাজের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রশংসনীয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, রাজ্য সরকার স্বাস্থ্যসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ করছে। এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতার ফলেই নীতি আয়োগ ত্রিপুরাকে ‘ফ্রন্ট রানার স্টেট’ হিসেবে অভিহিত করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা একটি মহৎ পেশা। রোগীদের প্রতি ধৈর্য ও সহমর্মিতার সঙ্গে পরিষেবা প্রদান করলে চিকিৎসকের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।

স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ৭২৭ থেকে বাড়িয়ে ১৪১৩ করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সুপার স্পেশালিটি ব্লক নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে ইতিমধ্যে সাতটি সুপার স্পেশালিটি পরিষেবা চালু হয়েছে। জিবিপি হাসপাতালে মা ও শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং তার ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়েছে। জিবিপি হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে অপারেশন থিয়েটার চালু হওয়ায় জরুরি রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, খোয়াই ও সিপাহীজলা জেলায় নতুন জেলা হাসপাতাল নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং গোমতী জেলা হাসপাতালে ১০০টি শয্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি আগরতলার রেন্টার্স কলোনিতে হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও টেপানিয়ায় আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজ্যে একটি হেলথ ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াও চলছে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য পরিষেবায় বিশেষ অবদানের জন্য আটজন চিকিৎসককে আইএমএ-ত্রিপুরা শাখার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দফতরের সচিব কিরণ গিত্যে, ডাঃ জয় চক্রবর্তী, ডাঃ শঙ্কর চক্রবর্তী, ডাঃ দীপঙ্কর পি ভৌমিকসহ বিশিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande