কোনও সনাতনী হিন্দু কংগ্রেসে থাকতে পারেন না, সাংসদ প্রদ্যুৎকে বিজেপিতে যোগদানের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী
প্রদ্যুৎ বরদলৈকে সম্মানজনক আসনে বিজেপির টিকিট দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব হিমন্তবিশ্ব শর্মা নয়াদিল্লি, ১৭ মাৰ্চ (হি.স.) : অসমে উষ্ণ রাজনৈতিক জল্পনার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা আজ মঙ্গলবার অসমের নগাঁওয়ের কংগ্রেসি সাংসদ প্রদ্যু
দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী


প্রদ্যুৎ বরদলৈকে সম্মানজনক আসনে বিজেপির টিকিট দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব হিমন্তবিশ্ব শর্মা

নয়াদিল্লি, ১৭ মাৰ্চ (হি.স.) : অসমে উষ্ণ রাজনৈতিক জল্পনার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা আজ মঙ্গলবার অসমের নগাঁওয়ের কংগ্রেসি সাংসদ প্রদ্যুৎ বরদলৈকে প্রকাশ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-তে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এখন আর কোনও সনাতনী হিন্দু কংগ্রেসে থাকতে পারেন না। একে একে সব সনাতনী কংগ্রেস ছেড়ে আসছেন।

মুখ্যমন্রীী বলেন, বিজেপিত যোগদান করলে দল তাঁকে স্বাগত জানাবে এবং রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে সম্মানজনক আসনে লড়ার সুযোগ নিশ্চিত করবে। হিমন্তবিশ্ব শর্মার এই আমন্ত্রণের পরই আজ রাতে কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেছেন প্রদ্যুৎ বরদলৈ।

বিজেপির কৌশলগত বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লি এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ড. শৰ্মা বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি বরদলৈয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। তবে তাঁর মতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে থাকার কোনও মানে নেই বরদলৈয়ের।

ড. শর্মা বলেন, ‘আমি প্রদ্যুৎ বরদলৈর সঙ্গে যোগাযোগ করিনি, কিন্তু আমার মনে হয় তাঁর কংগ্রেসে থাকার কোনও মানে নেই। আমি তাঁকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি এবং দলে তাঁকে স্বাগত জানাই।’

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যদি বরদলৈ বিজেপিতে যোগ দেন, তবে দল তাঁকে সেই একই সম্মান দেবে, যেমন অসমের জ্যেষ্ঠ নেতা তথা প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি ভূপেনকুমার বরাকে দেওয়া হয়েছে।

ড. শর্মা আরও ইঙ্গিত দেন, বরদলৈ যদি দল পরিবর্তন করেন, তবে তাঁকে দলীয় টিকিটে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বিজেপি প্রস্তুত। তিনি বলেন, ‘যদি প্রদ্যুৎ বরদলৈ বিজেপিতে যোগ দেন, তা-হলে আমরা নিশ্চিত করব তিনি বিধানসভা নির্বাচন লড়বেন এবং তাঁর জন্য একটি আসন সংরক্ষিত থাকবে।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্ৰদ্যুৎ বরদলৈ কংগ্রেসের অসম প্রভারীর কাছে একটি ক্ষোভভরা চিঠি লিখেছিলেন। চিঠিতে তিনি অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈ এবং এক নেতা ইমরান মাসুদের বিরুদ্ধে অপমান করার অভিযোগ তুলেছিলেন। পাশাপাশি তিনি দল (কংগ্রেস) থেকে দূরে সরে যেতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande