এসআইআর ও বেকারত্ব ইস্যুতে বেলিয়াবেড়ার সভা থেকে সুর চড়ালেন দেবাংশু
ঝাড়গ্রাম, ৩ মার্চ (হি. স.): এসআইআর প্রসঙ্গকে সামনে রেখে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘ভোটাধিকার খর্বের চক্রান্ত’-এর অভিযোগ তুলে লড়াইয়ের মেজাজে নামতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার গোপীবল্লভপুর ২ নম্বর ব্লকের বেলিয়াবেড়ায় আয়োজিত এক জনসভা থেকে এই বার্তা স্পষ্ট
এসআইআর ও বেকারত্ব ইস্যুতে বেলিয়াবেড়ার সভা থেকে সুর চড়ালেন দেবাংশু


ঝাড়গ্রাম, ৩ মার্চ (হি. স.): এসআইআর প্রসঙ্গকে সামনে রেখে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘ভোটাধিকার খর্বের চক্রান্ত’-এর অভিযোগ তুলে লড়াইয়ের মেজাজে নামতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার গোপীবল্লভপুর ২ নম্বর ব্লকের বেলিয়াবেড়ায় আয়োজিত এক জনসভা থেকে এই বার্তা স্পষ্ট করেন তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য।

এদিন সভা থেকে দেবাংশু অভিযোগ করেন, এসআইআর-এর নামে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে বিজেপি বাংলার নির্বাচনী সমীকরণে প্রভাব ফেলতে চাইছে। জঙ্গলমহলের অতীত ও বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা টেনে তিনি বলেন, ২০১১ পরবর্তী সময়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার এসেছে। রাস্তাঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে জঙ্গলমহলে স্থিতিশীলতা ফিরেছে বলে তিনি দাবি করেন। একইসঙ্গে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের পরও কেন্দ্রের তরফে এলাকায় বড় কোনো শিল্প বা কর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগ না নেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘বছরে দু’কোটি চাকরি’র প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা, আবাস যোজনার অর্থ এবং রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুগুলিকেও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে সামনে আনেন দেবাংশু। এদিন নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ‘বাইরের রাজনীতি’ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করেন তিনি।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জঙ্গলমহলে বিজেপির ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় তৃণমূল এবার সরাসরি ‘অধিকার বনাম চক্রান্ত’ ইস্যুতে জনমতের মেরুকরণ ঘটাতে চাইছে। এদিনের জনসভায় বিজেপি ছেড়ে প্রায় পঞ্চাশটি পরিবারের তৃণমূলে যোগদানকে শাসকদল ‘ভোটের আগাম বার্তা’ হিসেবে তুলে ধরেছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক ডা. খগেন্দ্রনাথ মাহাতো, জেলা পরিষদের মেন্টর স্বপন পাত্র, ব্লক সভাপতি টিংকু পাল, যুব সভাপতি সুমন সাহু, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শর্বরী অধিকারী-সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande