
কাঠমান্ডু, ৮ মার্চ (হি.স.): গত বছরের ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর নেপালে সংঘটিত জেন-জি আন্দোলনের সময় ঘটে যাওয়া মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গঠিত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশন রবিবার তাদের রিপোর্ট অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির হাতে তুলে দিয়েছে তদন্ত কমিশন।
প্রাক্তন বিচারপতি গৌরী বাহাদুর কার্কির নেতৃত্বে গঠিত এই তদন্ত কমিশনের মূল রিপোর্টে ৯০০-রও বেশি পৃষ্ঠা রয়েছে বলে জানা গেছে। কমিশনের সদস্য এবং নেপাল পুলিশের প্রাক্তন ডিআইজি বিজ্ঞানরাজ শর্মা জানান, রিপোর্টের সঙ্গে একাধিক সংযোজনী ও নথি যুক্ত রয়েছে। সব মিলিয়ে রিপোর্টের আকার প্রায় ৮,০০০ থেকে ১০,০০০ পৃষ্ঠার মধ্যে।
রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর বিজ্ঞানরাজ শর্মা জানান, কমিশন ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বরের ঘটনাবলির বিস্তারিত তদন্ত করেছে এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মতামত ও সুপারিশ প্রদান করেছে। তবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা ওলি এবং তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখরের প্রসঙ্গে কমিশনের সুপারিশ সম্পর্কে তিনি কিছু জানাতে অস্বীকার করেন। তাঁর বক্তব্য, কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের সুপারিশ করেছে, কিন্তু তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব সরকারের।
তিনি আরও জানান, আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কিছু দুর্বলতাও ধরা পড়েছে। বিশেষ করে যখন বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনের দিকে এগিয়ে যায়, তখন ব্যারিকেডিং ব্যবস্থার ত্রুটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তদন্তের সময় কমিশন ২০০-রও বেশি ব্যক্তির বক্তব্য নথিভুক্ত করেছে এবং বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের মতামতও নিয়েছে।
তিনি বলেন, দুই দিনের ঘটনাবলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করার পরই এই রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে। রিপোর্ট গ্রহণের পর অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী কার্কি কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে আশ্বাস দেন যে সরকার বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য