
নয়াদিল্লি, ১ এপ্রিল (হি.স.): হিমালয়ের হিমবাহ গলা এবং গঠনগত পরিবর্তনের বিষয়টি উপগ্রহ-ভিত্তিক রিমোট সেন্সিং সিস্টেমের মাধ্যমে নজরদারি করা হয়। ইসরো অত্যাধুনিক রিমোট সেন্সিং এবং জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম প্রযুক্তিকে হিমবাহর গঠনগত পরিবর্তন নজরদারিতে কাজে লাগাচ্ছে। ভূ-বিজ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং লোকসভায় বুধবার এই তথ্য পেশ করেছেন।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রক একটি সর্বাত্মক মাল্টি-হ্যাজার্ড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম গড়ে তুলেছে। এর অন্তর্ভুক্ত পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক, পূর্বাভাস মডেল এবং দেশজভাবে গড়ে তোলা জিআইএস-ভিত্তিক ডিসিশন সাপোর্ট সিস্টেম। প্রবল বৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড় এবং ঝুঁকিপূর্ণ আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রকৃত চিহ্নিতকরণে প্রাথমিক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে। এই ব্যবস্থাকে আধুনিক টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে, যাতে সময়-ভিত্তিক তথ্য সরবরাহ করা যায়। জলশক্তি মন্ত্রকের অধীন দ্য সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন স্বল্প পরিসরের বন্যার পূর্বাভাস দিয়ে থাকে। উত্তরাখন্ড সহ হিমালয় সন্নিহিত রাজ্যগুলি চিহ্নিত জায়গা-ভিত্তিক সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলিকে ২৪ ঘন্টার সময়কালে এই সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়ে থাকে। বন্যার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট চরম সীমা স্পর্শ করার আগেই এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়ে থাকে। এছাড়াও, সিডব্লিউসি বন্যার সতর্কবার্তা ৭ দিনের পরামর্শ বিষয়ে তথ্যাদি পাওয়া যায়। খনি মন্ত্রকের অধীন ভূতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ কেন্দ্র আঞ্চলিক ভূমিধ্বসের পূর্বাভাস দিয়ে থাকে। উত্তরাখন্ড সহ ৮টি রাজ্যের ২১টি জেলায় এই পূর্বাভাস প্রদান করা হয়। উত্তরাখন্ডে আবহাওয়া পরিকাঠামোকে বিগত তিন বছরে আধুনিক প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান-ভিত্তিক উপায়ে অনেক উন্নত করা হয়েছে। একটি নতুন এক্স-ব্যান্ড ডপলার ওয়েদার র্যাডার স্থাপন করা হয়েছে ২০২৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। সেইসঙ্গে, ২০২৫ সালে ৬টি নতুন স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। উত্তরাখন্ডে ২০টি স্বয়ংক্রিয় বৃষ্টির পরিমাপক যন্ত্র রয়েছে। এছাড়াও, জেলা-ভিত্তিক বৃষ্টিপাত নজরদারিতে ৭১টি স্টেশন কাজ করে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ