জনজাতি সমাজ প্রাচীন সংস্কৃতি সযত্নে সংরক্ষণ করে আসছে : উপরাষ্ট্রপতি
নয়াদিল্লি, ১২ এপ্রিল (হি.স.): উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন রবিবার নতুন দিল্লির ‘ভারত মণ্ডপম’-এ “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে আদিবাসী জীবনের রূপান্তর—ভাষা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির সংরক্ষণ” শীর্ষক একটি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। ভারত সরকারের ব
উপরাষ্ট্রপতি


নয়াদিল্লি, ১২ এপ্রিল (হি.স.): উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন রবিবার নতুন দিল্লির ‘ভারত মণ্ডপম’-এ “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে আদিবাসী জীবনের রূপান্তর—ভাষা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির সংরক্ষণ” শীর্ষক একটি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ, 'নর্থ ইস্ট সেন্টার ফর টেকনোলজি অ্যাপ্লিকেশন অ্যান্ড রিচ' (এনইসিটিএআর) এবং দেহরাদূনের 'আইটিআইটিআই দুন সংস্কৃতি স্কুল'-এর সহযোগিতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

উপরাষ্ট্রপতি এদিন জোর দিয়ে বলেন, এই সম্মেলনটি অত্যন্ত সুন্দরভাবে সেই বৈজ্ঞানিক মনন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির শক্তিকে তুলে ধরেছে, যা প্রথাগত জ্ঞানের সঙ্গে মিলিত হয়ে এক অনন্য রূপ ধারণ করে। তিনি উল্লেখ করেন, যখন আধুনিক বিজ্ঞান ভাষা, বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করে, তখন তা সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নের এক শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে ওঠে। আদিবাসী জনজাতির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, ভারতে প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার আদিবাসী গ্রাম রয়েছে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯ শতাংশ। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছে এমন অমূল্য প্রথাগত জ্ঞান সঞ্চিত রয়েছে, যা জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বনজ সম্পদের সুস্থায়ী ব্যবহারে সহায়তা করে। তিনি আরও বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই সম্প্রদায়গুলি ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতি, বিশ্বাস এবং সভ্যতার ঐতিহ্যকে সযত্নে সংরক্ষণ করে আসছে। উপরাষ্ট্রপতি অভিমত প্রকাশ করেন যে, আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে সবুজ অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি নকশা, বস্ত্রশিল্প এবং রঙের বিন্যাসে আদিবাসী সম্প্রদায়ের অসাধারণ দক্ষতারও প্রশংসা করেন, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সংরক্ষিত হয়ে আসছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande