আরামবাগে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন, চার প্রার্থীর মনোনয়ন ঘিরে উত্তাপ
আরামবাগ, ২ এপ্রিল (হি.স.): আরামবাগ সাংগঠনিক জেলায় বৃহস্পতিবার বিজেপির চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল কার্যত শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চে পরিণত হল। গোঘাট, আরামবাগ, খানাকুল ও পুরশুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীরা শয়ে শয়ে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে সুসজ্জিত মিছি
আরামবাগের চার বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন জমা


আরামবাগ, ২ এপ্রিল (হি.স.): আরামবাগ সাংগঠনিক জেলায় বৃহস্পতিবার বিজেপির চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল কার্যত শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চে পরিণত হল। গোঘাট, আরামবাগ, খানাকুল ও পুরশুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীরা শয়ে শয়ে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে সুসজ্জিত মিছিল করে মহকুমা শাসকের দফতরে পৌঁছান। প্রার্থীরা হলেন যথাক্রমে প্রশান্ত দিগার, হেমন্ত বাগ, সুশান্ত ঘোষ ও বিমান ঘোষ।এই কর্মসূচিতে বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। তাঁর উপস্থিতিতে কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মিছিল জুড়ে দলীয় পতাকা, স্লোগান এবং পরিবর্তনের বার্তা তুলে ধরা হয়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই বিপুল জনসমাগমই প্রমাণ করছে আরামবাগ মহকুমায় পরিবর্তনের হাওয়া বইছে এবং চারটি আসনেই তারা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।তবে এই শক্তি প্রদর্শনের মধ্যেই সামনে আসে প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগ। মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার পথে মহকুমা শাসকের দফতরের কাছে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় আটকে পড়ে বিজেপির বিশাল মিছিল, যার ফলে কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও ভোগান্তির শিকার হন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, আগাম কর্মসূচির কথা জানানো সত্ত্বেও পর্যাপ্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়নি। বিজেপি নেতাদের দাবি, এটি শুধুমাত্র অব্যবস্থাপনা নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে বিরোধীদের কর্মসূচি ব্যাহত করার চেষ্টা। তারা আরও অভিযোগ করেন, শাসকদলের চাপে প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারাচ্ছে, যা নির্বাচনের আগে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মনোনয়ন পর্ব থেকেই আরামবাগে যে তীব্র রাজনৈতিক লড়াইয়ের সূচনা হয়েছে, তা আগামী দিনে আরও উত্তপ্ত হতে পারে।সব মিলিয়ে, মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে আরামবাগে এখন শক্তি প্রদর্শন, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা—সবকিছুই একসাথে চরমে পৌঁছেছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande