
কলকাতা, ১৫ মে (হি স)। তৃণমূলনেত্রীর ইচ্ছেয় লোকসভার মুখ্য সচেতক হলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রকাশ্যেই মন্তব্য করেছেন সাংসদ ডঃ কাকলি ঘোষদস্তিদার। সেই ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে একহাত নিয়েছেন নেটনাগরিকদের একটা বড় অংশ।
কাকলী ঘোষদস্তিদার লিখেছেন, “৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথ চলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরষ্কৃত হলাম।” প্রতিক্রিয়ায় গৌতম পাল লিখেছেন, “যার মাথায় পিসির হাত, সে খাবে জেলের ভাত - এটি একটি বাংলা প্রচলিত ছড়া বা প্রবাদ।” ‘জাতীয়তাবাদী বাঙালী’ নামধারী লিখেছে, “ঔদ্ধত্যের দাম পেলেন। মাটিতে পা রেখে চলুন ম্যাডাম, অনেক সম্মান পাবেন।”
মহম্মদ আলমগীর হোসেন লিখেছেন, “পালানোর জন্য অজুহাত তৈরি করছেন নাকি? আপনার সংসদ তৈরি করার মূল কারিগর দেগঙ্গা বিধানসভা (৬৮,০০০+) আপনি সেই দেগঙ্গার মানুষের জন্য কি করেছেন? শুধুমাত্র কিছু লাইট লাগিয়ে দিয়েছেন যেটা রাত দশটার পরে আর জ্বলতে দেখা যায় না, কাটমানির তান্ডবে। মনে রাখবেন পাপ কোনদিন বাপকে ছাড়ে না...। ভালো থাকবেন ...”।
সৈকত দাশগুপ্ত লিখেছেন, “বুঝতে পারছি খুব দ্রুত এটার প্রয়োজন হবে আপনার। এর পরের পোস্টেই আপনি দম বন্ধকর অবস্থার কথা জানাবেন। তাই আগে থেকেই অক্সিজেন সিলিন্ডার যোগাড় করে দিলাম।” আবীরা সিনহা লিখেছেন, “মাটিতে পা রাখতে হয় নইলে ঝড় এ উড়ে যেতে হয় ম্যাডাম। ঔদ্ধত্যের সীমা পরিসীমা নাই।” তন্ময় হক লিখেছেন, “বাড়িতে এসি ছাড়া থাকা অভ্যাস করুন, কমপক্ষে ৬ মাস করে জেলে থাকতে কবে কাকীমা।” কৃষ দে লিখেছেন, “বাড়িতে এসি ছাড়া থাকা অভ্যাস করুন, কমপক্ষে ৬ মাস করে জেলে থাকতে কবে কাকীমা।”
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত