কাঙপোকপির কনসাখুল গ্রামে সশস্ত্র-হামলা, আহত এক, তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি গ্রামবাসীর
কাঙপোকপি (মণিপুর), ৩১ মে (হি.স.) : রাজ্যের কাঙপোকপি জেলার অন্তর্গত নাগা জনজাতি অধ্যুষিত কনসাখুল গ্রামে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের সশস্ত্র-হামলায় এক বাসিন্দা গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ঘটনার পর গ্রামের মানুষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং অবিলম্বে প্রশাসনকে হস্তক্ষে
কাঙপোকপির গ্রামে সশস্ত্র-হামলায় আহতকে নিয়ে আসা হয়েছে হাসপাতালে


কাঙপোকপি (মণিপুর), ৩১ মে (হি.স.) : রাজ্যের কাঙপোকপি জেলার অন্তর্গত নাগা জনজাতি অধ্যুষিত কনসাখুল গ্রামে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের সশস্ত্র-হামলায় এক বাসিন্দা গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ঘটনার পর গ্রামের মানুষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং অবিলম্বে প্রশাসনকে হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

সূত্রের খবর, আজ রবিবার সকাল প্রায় ১০টা ৩০ মিনিটে ঘটনাটি ঘটে। এর আগে গ্রামের জল সরবরাহের পাইপলাইন কেটে দেওয়া হয়েছে অভিযোগ। গ্রামবাসীদের দাবি, এই পাইপলাইনই ছিল গ্রামের প্রধান পানীয় জলের উৎস। তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ, গ্রামবাসীরা ক্ষতিগ্রস্ত জল সরবরাহ ব্যবস্থা মেরামতের চেষ্টা করলে একদল সশস্ত্র জনতা তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এতে গ্রামের জনৈক ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। আহতকে চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এক বিবৃতিতে কনসাখুল গ্রাম-কর্তৃপক্ষ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযোগ করেছেন, কেএনএফ (পি)-এর জঙ্গি সদস্যদের পাশাপাশি প্রতিবেশী লেইলন ভাইফেই গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দাও হামলায় জড়িত ছিল। তাঁদের দাবি, জল সরবরাহের পাইপলাইন মেরামতের সময় কোনও উসকানি ছাড়াই গ্রামবাসীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।

গ্রাম-কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ঘটনার পর কয়েকজন ব্যক্তি এখনও নিখোঁজ। তাঁরা জানান, সংগঠিত হামলার ফলে গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা ঘটনাটিকে মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে গ্রামবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে অতীতের কয়েকটি ঘটনারও উল্লেখ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, এর আগে কেএনএফ (পি)-এর জঙ্গি এবং লেইলন ভাইফেই গ্রামের কযেকজন বাসিন্দা ১৮ জন নাগা অসামরিক নাগরিককে অপহরণ করেছিল। তাঁদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থান এখনও অজ্ঞাত বলে দাবি করা হয়েছে।

গ্রাম-কর্তৃপক্ষ রাজ্য সরকার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে দ্রুত জল সরবরাহ সহ প্রয়োজনীয় পরিষেবা পুনরুদ্ধার, ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, তাঁরা বিভিন্ন নাগরিক সামাজিক সংগঠন ও মানবাধিকার গোষ্ঠীর প্রতি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে গ্রামবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande