ভারতে জনতাত্ত্বিক ভারসাম্যহীনতার দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন : মোহন ভাগবত
মহীশূর, ৭ মে (হি.স.): ভারতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের চেয়ে জনতাত্ত্বিক ভারসাম্যহীনতার দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন, এমনই অভিমত পোষণ করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নীতি এবং অভিন্ন
মোহন ভাগবত


মহীশূর, ৭ মে (হি.স.): ভারতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের চেয়ে জনতাত্ত্বিক ভারসাম্যহীনতার দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন, এমনই অভিমত পোষণ করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নীতি এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়নের জন্য জনসহযোগিতা ও দীর্ঘমেয়াদী চিন্তাভাবনা প্রয়োজন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সমাজ যখন জাতিগত বিভাজনের সঙ্গে নিজেকে একাত্ম করা বন্ধ করবে, তখনই কেবল জাতিভিত্তিক রাজনীতির অবসান ঘটবে।

কর্ণাটকের মহীশূরে জেএসএস মহাবিদ্যাপীঠে 'জাতীয় উন্নয়নের অনুঘটক হিসেবে সামাজিক সম্প্রীতি' শীর্ষক একটি বক্তৃতামালায় বক্তব্য রাখার সময় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির আহ্বান জানান। তিনি জনগণকে স্লোগানের পরিবর্তে আচরণের মাধ্যমে সামাজিক জীবনে সমতা চর্চা করার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, যেহেতু সমাজ জাতপাতকে মনে রাখে, তাই রাজনীতিবিদরা এর সুযোগ নেন। তাদের বৈধ উদ্দেশ্য হলো ভোট পাওয়া। যদি তারা কাজের মাধ্যমে ভোট না পান, তবে তারা জাতপাতের মাধ্যমে ভোট আদায় করবেন।

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মোহন ভাগবত বলেন, আরএসএস সরকার নয় বরং একটি সামাজিক সংগঠন এবং তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণের অংশগ্রহণেই আইন সফল হতে পারে। তিনি বলেন, প্রথমে জনগণকে শিক্ষিত করতে হবে। নীতি প্রয়োজন, কিন্তু জনগণের সহযোগিতাতেই সেই নীতি সফল হতে পারে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande