আরপিএফ-এর অভিযানে ৬২.৪৫ লক্ষ টাকার বেশি মূল্যের নিষিদ্ধ সামগ্রী এবং আট নাবালক উদ্ধার
গুয়াহাটি, ১৩ জুন (হি.স.) : উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অধীন রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ) ৯ এবং ১০ জুনের মধ্যে পরিচালিত অভিযানের মাধ্যমে রেলযাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। অসম, বিহার, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড এব
আরপিএফ-এর অভিযানে নিষিদ্ধ সামগ্রী এবং নাবালক উদ্ধার


গুয়াহাটি, ১৩ জুন (হি.স.) : উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অধীন রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ) ৯ এবং ১০ জুনের মধ্যে পরিচালিত অভিযানের মাধ্যমে রেলযাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। অসম, বিহার, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড এবং পশ্চিমবঙ্গে রেলওয়ে স্টেশন এবং ট্রেনগুলিতে সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে আরপিএফ মাদক বিরোধী অভিযান, অপরাধ প্রতিরোধ, অসহায় ব্যক্তিদের উদ্ধার এবং যাত্রী কল্যাণমূলক পদক্ষেপে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

সামগ্রিকভাবে এই অভিযানগুলোর ফলে রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনী ১৯টি মামলা শনাক্ত করে। এর মাধ্যমে প্রায় ৬.৩৩ লক্ষ টাকার বেশি মূল্যের ১২.৬৬৬ কেজি গাঁজা, প্রায় ৫৫.৮৪ লক্ষ টাকার বেশি মূল্যের ২৭৯.২১ গ্রাম ব্রাউন সুগার এবং প্রায় ২৮ হাজার টাকার বেশি্ মূল্যের ১৫৫ বোতল অবৈধ মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানগুলোর মাধ্যমে আনুমানিক ৪৫ হাজার টাকার বেশি মূল্যের তিনটি চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার, সাত অপরাধী গ্রেফতার, আটজন নাবালককে (পাঁচ ছেলে ও তিন মেয়ে) উদ্ধার এবং বিপদে পড়া তিন যাত্রীকে সময়মতো চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে।

আজ শনিবার উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা এই খবর দিয়ে এই সময়ের উল্লেখযোগ্য সাফল্যগুলোর মধ্যে অন্যতমগুলোর তথ্য দিয়ে জানান, রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনীর কর্মীরা জিআরপি ও এসআইবি-র সাথে যৌথভাবে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছেন। তাঁরা বদরপুর রেলওয়ে স্টেশনে একজনকে আটক করে প্রায় ৫৫.৮৪ লক্ষ টাকা মূল্যের ২৭৯.২১ গ্রাম ব্রাউন সুগার উদ্ধার করেছেন। পরবর্তীতে এনডিপিএস আইন, ১৯৮৫-এর বিধান অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য অভিযুক্তকে জিআরপি-র কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আইন প্রয়োগের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনী নিউ জলপাইগুড়ি, আরারিয়া ও তিনসুকিয়া রেলওয়ে স্টেশনে তিন যাত্রীকে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে যাত্রী-কল্যাণের ক্ষেত্রেও দৃষ্টান্তমূলক নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন। রেলওয়ের চিকিৎসাকর্মী ও স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর সাথে দ্রুত সমন্বয়ের মাধ্যমে আহত যাত্রীরা তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন। এটি জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুরক্ষা ও সুস্থতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনী-র অঙ্গীকারের প্রতিফলন, বলেছেন উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande