রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে আবৃত্তি ও আলোচনা, উঠে এল বিশ্বকবির বিজ্ঞানমনস্কতার নানা দিক
​কলকাতা, ১৩ জুন (হি.স.): রবীন্দ্র-নজরুল ইসলামের স্মৃতিকে সামনে রেখে শনিবার এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল ‘বেথুয়াডহরি কথাশিল্প আবৃত্তি চর্চাকেন্দ্র’। স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সভাগৃহে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কথাশিল্পের ছাত্রছাত্রীরা দুই বি
বেথুয়াডহরিতে রবীন্দ্র নজরুল সান্ধ্যবাসরের আয়োজন


​কলকাতা, ১৩ জুন (হি.স.): রবীন্দ্র-নজরুল ইসলামের স্মৃতিকে সামনে রেখে শনিবার এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল ‘বেথুয়াডহরি কথাশিল্প আবৃত্তি চর্চাকেন্দ্র’। স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সভাগৃহে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কথাশিল্পের ছাত্রছাত্রীরা দুই বিশ্ববন্দিত কবির বাছাই করা বিভিন্ন কবিতা আবৃত্তি করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন অন্বেষা মোদক।

​অনুষ্ঠানের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিজ্ঞানচেতনা বিষয়ক আলোচনা। বক্তা পীতম ভট্টাচার্য বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার প্রসারে রবীন্দ্রনাথের অসামান্য অবদানের কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, মাত্র ১২ বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ ‘গ্রহগণ জীবের আবাসভূমি’ নামে একটি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ রচনা করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ‘বালক’, ‘বঙ্গদর্শন’, ‘ভারতী’ ও ‘ভাণ্ডার’-সহ বিভিন্ন পত্রিকায় তিনি নিয়মিত বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ লিখেছেন। জীবনের শেষ পর্বে রচিত তাঁর ‘বিশ্বপরিচয়’ গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানমনস্ক সাহিত্যের এক অনন্য সংযোজন বলেও বক্তা উল্লেখ করেন।

​সাংস্কৃতিক ও মননশীলতার মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মেধা নাগ ও লিপিকা নাথ। উপস্থিত দর্শকদের আন্তরিক অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande