অস্বস্তি আরও বাড়ল অভিষেকের , শিলিগুড়িতে উসকানিমূলক ভাষণের অভিযোগে নতুন এফআইআর
কলকাতা, ১৩ জুন (হি.স.): অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অস্বস্তি যেন কিছুতেই কমছে না। একদিকে যখন শনিবার ভোররাতে কালীঘাটে তাঁর বাসভবনে সিআইডি তল্লাশি চালাল, ঠিক তখনই অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি নতুন অভিযোগ দায়ের করা হলো। নির্
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়


কলকাতা, ১৩ জুন (হি.স.): অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অস্বস্তি যেন কিছুতেই কমছে না। একদিকে যখন শনিবার ভোররাতে কালীঘাটে তাঁর বাসভবনে সিআইডি তল্লাশি চালাল, ঠিক তখনই অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি নতুন অভিযোগ দায়ের করা হলো। নির্বাচনী প্রচারের সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে উসকানি দেওয়া এবং ভয়ের পরিবেশ তৈরি করার মতো মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। শিলিগুড়ি সাইবার সেল থানায় সঞ্জয় কুমার সিংঘল নামে এক ব্যবসায়ী এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার চলাকালীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এমন কিছু মন্তব্য করেছিলেন, যা অত্যন্ত উসকানিমূলক এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়াতে পারে। অভিযোগকারীর দাবি, এই সমস্ত ভাষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে, যার জেরে রাজনৈতিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সঞ্জয় কুমার সিংঘল তাঁর অভিযোগে উল্লেখ করেছেন যে, একজন নির্বাচিত সাংসদের মুখে এই ধরনের ভাষা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী। তাঁর আরও অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভাষণে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম জড়িয়ে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন, যা সাধারণ মানুষের মনে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিতে পারে। একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা যদি জনসমক্ষে এই বার্তা দেন যে ‘এবার কোনো রেয়াত করা হবে না’, তবে তা স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মনে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে। তবে অভিযোগকারী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তাঁর এই পদক্ষেপ কোনো রাজনৈতিক দলকে নিশানা করার জন্য নয়, বরং আইনের চোখে সমস্ত নাগরিক এবং জনপ্রতিনিধিদের সমান দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তিনি এই অভিযোগ জানিয়েছেন।

এরই মধ্যে, শনিবার ভোররাতে রাজ্য অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর একটি দল কলকাতার কালীঘাটে অভিষেকের বাসভবনে তল্লাশি অভিযান চালায়। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ সাগরিকা ঘোষ দাবি করেছেন যে, ভোর আনুমানিক ৩টে নাগাদ পুলিশ ও অন্যান্য আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছান এবং পরবর্তীতে বাড়ির তালা খুলে তল্লাশি চালানো হয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ৯০ মিনিট ধরে চলা এই অভিযানে তদন্তকারীরা কোনো আপত্তিকর সামগ্রী বা নথি উদ্ধার করতে পারেননি।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande