‘হেলদি’ দাবিতে কড়াকড়ি এফএসএসএআইয়ের, বিভ্রান্তিকর ব্র্যান্ডিংয়ে আট সংস্থাকে নোটিস
নয়াদিল্লি, ১৪ জুন (হি.স.) : খাদ্যপণ্যের প্যাকেট ও লেবেলে ‘হেলদি’ বা স্বাস্থ্যকর বলে প্রচার করে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগে আটটি খাদ্য সংস্থাকে নোটিস পাঠাল ভারতীয় খাদ্য সুরক্ষা ও মান নির্ধারণ কর্তৃপক্ষ (এফএসএসএআই)। সংস্থাগুলির ব্র্যান্ড নাম, পণ
‘হেলদি’ দাবিতে কড়াকড়ি এফএসএসএআইয়ের, বিভ্রান্তিকর ব্র্যান্ডিংয়ে আট সংস্থাকে নোটিস


নয়াদিল্লি, ১৪ জুন (হি.স.) : খাদ্যপণ্যের প্যাকেট ও লেবেলে ‘হেলদি’ বা স্বাস্থ্যকর বলে প্রচার করে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগে আটটি খাদ্য সংস্থাকে নোটিস পাঠাল ভারতীয় খাদ্য সুরক্ষা ও মান নির্ধারণ কর্তৃপক্ষ (এফএসএসএআই)। সংস্থাগুলির ব্র্যান্ড নাম, পণ্যের বিবরণ এবং বিপণন-এর দাবিতে এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা গ্রাহকদের কাছে পণ্যের স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

রবিবার সামাজিক মাধ্যমে এক বিবৃতিতে এফএসএসএআই জানায়, খাদ্য সুরক্ষা ও মান আইন, ২০০৬-এর অধীনে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন এবং প্রতারণামূলক লেবেলিংয়ের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

যে সংস্থাগুলিকে নোটিস পাঠানো হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে ইমামি হেলদি অ্যান্ড টেস্টি, হেলথ এইড, ট্রুভি, দ্য হেলদি ফ্যাক্টরি, হেলদি মাস্টার, হেলদি চয়েস, প্ল্যান বি এবং নিউহার্বস।

এফএসএসএআই-এর বক্তব্য, ‘হেলদি’ বা অনুরূপ শব্দ ব্যবহার করে কোনও পণ্যকে অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে যথাযথ বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এবং মান নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির ব্র্যান্ডিং ও লেবেলিং বর্তমান খাদ্য সুরক্ষা ও ভোক্তা সুরক্ষা বিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গত কয়েক বছরে খাদ্যপণ্যের মোড়ক বা লেবেল, বিজ্ঞাপন এবং স্বাস্থ্যসংক্রান্ত দাবির উপর নজরদারি আরও বাড়িয়েছে এফএসএসএআই। উদ্দেশ্য, পণ্যের পুষ্টিগুণ বা স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়ে যাতে গ্রাহকরা বিভ্রান্ত না হন, তা নিশ্চিত করা।

ভারতীয় খাদ্য সুরক্ষা বিধি অনুযায়ী, কোনও খাদ্য সংস্থার পণ্যের লেবেল, বিজ্ঞাপন বা প্রচারমূলক বার্তা অবশ্যই সত্য, নির্ভুল এবং প্রমাণসমর্থিত হতে হবে। পণ্যের গুণমান বা স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়ে অতিরঞ্জিত বা বিভ্রান্তিকর দাবি করলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পদক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে।

এফএসএসএআই জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে তাদের ব্র্যান্ডিং ও পণ্যের দাবির ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। তাদের জবাব পর্যালোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

খাদ্যপণ্যের লেবেলিং আরও স্বচ্ছ করা, গ্রাহক সচেতনতা বাড়ানো এবং স্বাস্থ্যসংক্রান্ত দাবিকে তথ্যভিত্তিক ও নির্ভরযোগ্য করে তোলার ক্ষেত্রে এটি এফএসএসএআই-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande