গোঘাটে জনকল্যাণ শিবিরে আচমকা প্রতিমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য, খতিয়ে দেখলেন পরিষেবা
আরামবাগ, ১৫ জুন (হি.স.): সারা বাংলা জুড়ে শুরু হয়েছে রাজ্য সরকারের বহুল প্রচারিত ‘জনকল্যাণ শিবির’। সরকারি পরিষেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার দাবি নিয়ে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিকে ঘিরে যেমন মানুষের ভিড় বাড়ছে, তেমনই উঠছে একাধিক প্রশ্ন— আদৌ কি
গোঘাটের জনকল্যাণ শিবিরে মন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য


আরামবাগ, ১৫ জুন (হি.স.): সারা বাংলা জুড়ে শুরু হয়েছে রাজ্য সরকারের বহুল প্রচারিত ‘জনকল্যাণ শিবির’। সরকারি পরিষেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার দাবি নিয়ে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিকে ঘিরে যেমন মানুষের ভিড় বাড়ছে, তেমনই উঠছে একাধিক প্রশ্ন— আদৌ কি প্রকৃত উপভোক্তারা পরিষেবা পাচ্ছেন, নাকি নানা জটিলতায় এখনও বঞ্চিত সাধারণ মানুষ? ঠিক এই পরিস্থিতিতেই গোঘাট ১ নম্বর ব্লকে চলা জনকল্যাণ শিবির ঘিরে বাড়ল রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্ব।

​সোমবার গোঘাট ১ নম্বর ব্লকের এই শিবিরে আচমকাই পৌঁছে যান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনস্বাস্থ্য কারিগরি ও শ্রম দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য। আগামী আরও দু’দিন ধরে চলতে থাকা এই শিবিরে সাধারণ মানুষ ঠিকমতো সরকারি পরিষেবা পাচ্ছেন কিনা, কোনও প্রকল্প থেকে কেউ বঞ্চিত হচ্ছেন কিনা— সেই বিষয়গুলি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই তিনি পৌঁছন গোঘাট ১ নম্বর বিডিও অফিস প্রাঙ্গণে।

​শিবিরে পৌঁছে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন কাউন্টার ঘুরে দেখেন এবং উপস্থিত আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগ জমা দেওয়া থেকে শুরু করে সরকারি প্রকল্পের আবেদন, নথিপত্র যাচাই ও পরিষেবা প্রদানের গতি— সব বিষয়েই নজর রাখতে দেখা যায় তাঁকে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলে তিনি বোঝার চেষ্টা করেন, সরকারি সুবিধা পেতে তাঁদের কোনও সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে কিনা।

​রাজ্য সরকারের দাবি, এই জনকল্যাণ শিবিরের মাধ্যমে লক্ষাধিক মানুষ সরাসরি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। কিন্তু বিরোধীদের অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রেই তথ্যের অভাব, নথিগত জটিলতা কিংবা প্রশাসনিক গাফিলতিতে এখনও অনেকেই প্রকৃত সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফলে গোঘাটের এই শিবিরে প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতি নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং পরিষেবা ব্যবস্থাকে আরও কড়া নজরদারির মধ্যে রাখার বার্তা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

​এদিকে, সকাল থেকেই শিবিরে উপচে পড়া ভিড় চোখে পড়ে। হাতে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে বহু মানুষ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে লাইনে দাঁড়ান। এখন দেখার, আগামী দু’দিনে এই শিবির কতটা সফলভাবে মানুষের সমস্যার সমাধান করতে পারে এবং বাস্তবে কতজনের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande