পাকিস্তানি গ্যাংস্টারের সঙ্গে জড়িত দুই সন্দেহভাজন বুলন্দশহর থেকে গ্রেফতার
বুলন্দশহর/লখনউ, ১৯ জুন (হি.স.) : দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে উত্তর প্রদেশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (এটিএস) বুলন্দশহর থেকে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ''স্লিপার সেল'' তৈরি করা, এলাকায় আতঙ্ক ও ভয়
দুই সন্দেহভাজন


বুলন্দশহর/লখনউ, ১৯ জুন (হি.স.) : দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে উত্তর প্রদেশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (এটিএস) বুলন্দশহর থেকে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে 'স্লিপার সেল' তৈরি করা, এলাকায় আতঙ্ক ও ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি এবং বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকার রেকি (নজরদারি) করার মতো মারাত্মক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল।

উত্তর প্রদেশের অতিরিক্ত পুলিশ মহানির্দেশক (এডিজি-আইনশৃঙ্খল) অমিতাভ যশ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, পাকিস্তানি গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টি এবং আবিদ জাটের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে এটিএস-এর ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবেই এই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম মহম্মদ ওমর এবং ফৈজান। এরা দুজনেই বুলন্দশহরের আকবরপুর গ্রামের বাসিন্দা।

এটিএস-এর প্রাথমিক তদন্ত এবং গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, এই দুই অভিযুক্ত বুলন্দশহরে নিজেদের পরিচয় লুকিয়ে 'স্লিপার সেল' হিসেবে কাজ করছিল। সবথেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, ধৃতরা সরাসরি পাকিস্তানি সন্ত্রাসী শাহজাদ ভাট্টি এবং হ্যান্ডলার আবিদ জাটের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল।

তদন্তে জানা গেছে, ধৃতদের মূল দায়িত্ব ছিল বুলন্দশহরের বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানি ডন আবিদ জাটের পোস্টার সাঁটানো এবং সেই পোস্টার লাগানোর ভিডিও তৈরি করে পাকিস্তানে পাঠানো। এই কাজের বিনিময়ে তাদের মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়ার টোপ দেওয়া হয়েছিল। এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করাই ছিল এদের মূল উদ্দেশ্য। এ ছাড়া, তাদের আর্মি ক্যান্টনমেন্টের মতো সংবেদনশীল ও স্ট্র্যাটেজিক সামরিক এলাকাগুলির রেকি করার সুনির্দিষ্ট টাস্ক দেওয়া হয়েছিল। ধৃতদের কাছ থেকে আবিদ জাটের একাধিক পোস্টার, ভিডিও এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে এটিএস এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। এই দুই সন্দেহভাজন পাকিস্তান থেকে আর কী কী নির্দেশ পাচ্ছিল এবং পশ্চিম উত্তর প্রদেশে এই নেটওয়ার্কের শিকড় কতদূর ছড়িয়ে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। আগামী দিনগুলিতে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত আরও বেশ কিছু বড়সড় তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande