রাহুল গান্ধীর জন্মদিনে যুব কংগ্রেসের বৃক্ষরোপণ, আন্দামান- নিকোবরের বননিধনের প্রতিবাদ
আগরতলা, ১৯ জুন (হি.স.) : কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে রাজ্যজুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করল ত্রিপুরা প্রদেশ যুব কংগ্রেস। শুক্রবার আগরতলায় গান্ধীঘাটে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সভাপতি
বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি


আগরতলা, ১৯ জুন (হি.স.) : কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে রাজ্যজুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করল ত্রিপুরা প্রদেশ যুব কংগ্রেস। শুক্রবার আগরতলায় গান্ধীঘাটে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সভাপতি নীলকমল সাহা-সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা।

যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে একদিকে যেমন রাহুল গান্ধীর জন্মদিন পালন করা হয়, অন্যদিকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে চলমান বননিধনের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানানো হয়। গান্ধীঘাটে বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা দেন যুব কংগ্রেস কর্মীরা।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রদেশ যুব কংগ্রেস সভাপতি নীলকমল সাহা বলেন, দেশের বন ও প্রাকৃতিক সম্পদ ক্রমশ কর্পোরেট স্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন বনভূমি ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। তিনি অভিযোগ করেন, বনভূমি ধ্বংসের কারণে অক্সিজেনের প্রাকৃতিক উৎস কমে যাচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়ছে।

তিনি আরও বলেন, “প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে সকলের সচেতন হওয়া জরুরি। রাহুল গান্ধীর জন্মদিনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আমরা পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই। পাশাপাশি আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বননিধনের ঘটনারও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

নীলকমল সাহা জানান, শুধুমাত্র আগরতলাতেই নয়, প্রদেশ যুব কংগ্রেসের নয়টি সাংগঠনিক জেলায় একযোগে একই ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজ্যজুড়ে প্রায় এক হাজার গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

যুব কংগ্রেস নেতাদের দাবি, পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনকে জনমুখী করতে ভবিষ্যতেও বিভিন্ন সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক যুব কংগ্রেস কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বনভূমি রক্ষার গুরুত্ব নিয়েও সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande