
- ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ ভারতের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূৰ্ণ ও যুগান্তকারী মুহূর্তের স্মারক’, বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. শৰ্মা
গুয়াহাটি, ২০ জুন (হি.স.) : ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ ভারতের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী মুহূর্তের স্মারক, বলেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শৰ্মা। এ উপলক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. শর্মা।
নিজের অফিশিয়াল সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ ছবি সহ পৃথক দুটি পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, আজ ২০ জুন ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’। এই দিনটি ভারতের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা দেশভাগের সময় বাংলার একটি অংশকে ভারতীয় ইউনিয়নের মধ্যে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল।
এক্স-এ ড. শৰ্মা লিখেছেন, এই দিবসটি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং অন্যান্য হিন্দু জাতীয়তাবাদী নেতাদের প্রচেষ্টাকে স্মরণ করে, যাঁরা ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
মুখ্যমন্ত্ৰী লিখেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবসে আমার পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনদের শুভেচ্ছা জানাই। এই দিনটি ভারতের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তকে চিহ্নিত করে, যা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং অসংখ্য হিন্দু জাতীয়তাবাদীর প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছিল। তাঁদের প্রচেষ্টায় বাংলার একটি অংশ ভারতীয় ইউনিয়নের মধ্যে থেকে যায় এবং দেশভাগের সময় বাস্তুচ্যুত হিন্দুদের আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে।’
পশ্চিমবঙ্গে নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার ২০ জুন ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ আনুষ্ঠানিকভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৯৪৭ সালের এই দিনেই বেঙ্গল লেজিসলেটিভ অ্যাসেমব্লি (বঙ্গীয় আইনসভা) পৃথক প্রদেশ গঠনের পক্ষে ভোট দিয়েছিল, যা পরবর্তীতে ভারতের দেশভাগের পর পশ্চিমবঙ্গ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
এ প্ৰসঙ্গে হিমন্তবিশ্ব শৰ্মার অভিযোগ, কয়েক দশক ধরে এই ঘটনার গুরুত্ব উপেক্ষা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বহু বছর এই অধ্যায়ের গুরুত্ব বামপন্থী রাজনৈতিক ব্যবস্থার দ্বারা তাদের ভোটব্যাংকের স্বার্থে ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। আজ বাংলার মানুষ যথাযথভাবে তাঁদের ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশকে স্বীকার করতে এবং গর্ব অনুভব করতে পারেন।’
পশ্চিমবঙ্গের শান্তি, সমৃদ্ধি ও নতুন গৌরব কামনা করে এবং রাজ্যের মানুষের জন্য দেবী দুর্গার আশীর্বাদ প্রার্থনা করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস